নাচোল ও গোমস্তাপুরে সরকারি খালে অবৈধ বাঁধ এ যে হাজার হাজার কৃষকের মরণ ফাঁদ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন
নিজস্ব প্রতিবেদন:
প্রকাশিত:
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
১০
বার পড়া হয়েছে
নাচোল ও গোমস্তাপুরে সরকারি খালে অবৈধ বাঁধ এ যে হাজার হাজার কৃষকের মরণ ফাঁদ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন
নিজস্ব প্রতিবেদন: চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল ও গোমস্তাপুর উপজেলায় থাকা হাজারদিঘী বিলের ইজারাদার সরকারি খালে অবৈধভাবে বাঁধ নির্মাণের কারনে পানির নিচে তলিয়ে যায় ৫ হাজার বিঘা জমির ধান। আসন্ন বর্ষা মৌসুমেও তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অবৈধ বাঁধ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন কৃষকরা।এ সময় কৃষকদের সাথে তাদের সন্তানরাও বিভিন্ন দাবী সম্বলিত প্লাকার্ড হাতে বাবার সাথে মাঠে নামে। শুক্রবার বিকেলে হাজারবিঘী বিলের ধারে চার শতাধিক কৃষক এই মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ৫ বছর আগে বিল ইজারা নিয়ে পাশে থাকা একটি সরকারি খাল রাতের অন্ধকারে জোরপূর্বক কনক্রিটের বাঁধ দেয় ইজারাদার নাসিম। এতে গতবছর বিলের আশেপাশে থাকা প্রায় ৫ হাজার বিঘা জমির ধান পানির নিচে সম্পূর্ণভাবে তলিয়ে যায়। এতে ঘরে ধান তুলতে না পেরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় হাজারো কৃষকের। আসন্ন বর্ষা মৌসুমেও এসব জমি তলিয়ে যাওয়ার আতঙ্কে দিন পার করছেন কৃষকরা। এনিয়ে প্রশাসনকে দফায় দফায় লিখিত অভিযোগ দিলে সরেজমিনে পরিদর্শন করে অবৈধ বাঁধ অপসারণের আশ্বস দিলেও কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। উল্টো কৃষকদের নানারকম হুমকি-ধামকি ও মামলার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে ইজারাদার। দ্রুত সময়ের মধ্যে অবৈধ বাঁধ অপসারণ না করলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুশিয়ারি দেন কৃষকরা।
20
নিজস্ব প্রতিবেদন:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল ও গোমস্তাপুর উপজেলায় থাকা হাজারদিঘী বিলের ইজারাদার সরকারি খালে অবৈধভাবে বাঁধ নির্মাণের কারনে পানির নিচে তলিয়ে যায় ৫ হাজার বিঘা জমির ধান।
আসন্ন বর্ষা মৌসুমেও তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অবৈধ বাঁধ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন কৃষকরা।এ সময় কৃষকদের সাথে তাদের সন্তানরাও বিভিন্ন দাবী সম্বলিত প্লাকার্ড হাতে বাবার সাথে মাঠে নামে।
শুক্রবার বিকেলে হাজারবিঘী বিলের ধারে চার শতাধিক কৃষক এই মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ৫ বছর আগে বিল ইজারা নিয়ে পাশে থাকা একটি সরকারি খাল রাতের অন্ধকারে জোরপূর্বক কনক্রিটের বাঁধ দেয় ইজারাদার নাসিম। এতে গতবছর বিলের আশেপাশে থাকা প্রায় ৫ হাজার বিঘা জমির ধান পানির নিচে সম্পূর্ণভাবে তলিয়ে যায়। এতে ঘরে ধান তুলতে না পেরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় হাজারো কৃষকের। আসন্ন বর্ষা মৌসুমেও এসব জমি তলিয়ে যাওয়ার আতঙ্কে দিন পার করছেন কৃষকরা। এনিয়ে প্রশাসনকে দফায় দফায় লিখিত অভিযোগ দিলে সরেজমিনে পরিদর্শন করে অবৈধ বাঁধ অপসারণের আশ্বস দিলেও কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। উল্টো কৃষকদের নানারকম হুমকি-ধামকি ও মামলার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে ইজারাদার। দ্রুত সময়ের মধ্যে অবৈধ বাঁধ অপসারণ না করলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুশিয়ারি দেন কৃষকরা।