নওগাঁ পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান : শয়তানের নিঃশ্বাস চক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার
প্রকাশিত:
রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬
১৬
বার পড়া হয়েছে
নওগাঁ পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান : শয়তানের নিঃশ্বাস চক্রের তিন সদস্য গ্রেফতার
বুলবুল আহম্মেদ নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি গত কয়েক মাসে নওগাঁ জেলায় একদল অপরাধী শহরের কয়েকটি স্থানে বয়স্ক মহিলাদের টার্গেট করে কথিত শয়তানের নিঃশ্বাস অর্থাৎ এক বিশেষ ধরনের কেমিক্যাল scopolamine ব্যবহার করে ভিকটিমকে সম্মোহিত করে ভিকটিমের নিকট থাকা অলংকার এবং টাকা পয়সা হাতিয়ে নেয়। এই কেমিক্যালটা কোনভাবে নাকে প্রয়োগ করলে আক্রান্ত ব্যক্তি কিছু সময়ের জন্য স্মৃতি ভ্রম হয়ে যান এবং অপরাধীর কথামতো কাজ করেন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় ভিকটিম নিজেই তার কানের দুল স্বর্ণালংকার এবং টাকা পয়সা অপরাধীর হাতে স্বেচ্ছায় তুলে দিচ্ছে কখনো বা বাসায় আলমারি খুলে অলংকার এবং টাকা পয়সা অপরাধীদের হাতে তুলে দিচ্ছে। এ সংক্রান্তে নওগাঁ থানায় মোট তিনটি মামলা হয়। এই মামলার তদন্তে পুলিশ বেশ কয়েকবার নারায়ণগঞ্জ জেলায় অভিযান চালায়। তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্লেষণ এবং বিভিন্ন ডাটা ভিত্তিক এনালাইসিস করে জেলা গোয়েন্দা শাখা জানতে পারে যে একটি অপরাধী চক্র টাঙ্গাইলে এই ধরনের ঘটনা ঘটাতে যাচ্ছে। এই সংবাদ পরপরই পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় একটি শক্তিশালী পুলিশ দল টাঙ্গাইল প্রেরণ করা হয়। গোয়েন্দা পুলিশ টাঙ্গাইল পুরাতন বাস স্ট্যান্ড থেকে শয়তানের নিঃশ্বাস চকলেট ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করে। তিন সদস্য হচ্ছে মোঃ আবু হাসান; মো বাবু ;মো সবুজ ; প্রত্যেকের বাড়ি চনপাড়া, থানা রূপগঞ্জ জেলা নারায়ণগঞ্জ। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় এই চক্রটি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানা এলাকায় রয়েছে। তাদের আট দশটি গ্রুপ রয়েছে। তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে মানুষকে শয়তানের নিঃশ্বাস প্রয়োগ করে বা কেমিক্যাল প্রয়োগ করে এই ধরনের অপরাধ করে বেড়ায়। ইতিমধ্যে তারা নারায়ণগঞ্জ নওগাঁ খুলনা একটি জেলায় কমপক্ষে দশটি অপরাধ সংগঠিত করেছে। এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন এই অপরাধ সংগঠনের ক্ষেত্রে তারা বয়স্ক মহিলাদের কে টার্গেট করেন। প্রথমে একজন অভিনয় করে ভিকটিম এর কাছে সাহায্য চায়, পরে একজন এসে ভিকটিমের কথা বলার চেষ্টা করে অপরজন এসে ভিকটিমকে শয়তানের নিঃশ্বাস বা কেমিক্যাল স্প্রে করে। অতঃপর ভিকটিম অপরাধীর কথামতো সম্মোহিত হয়ে তার অলংকার এবং টাকা পয়সা অপরাধীর হাতে তুলে দেয়। নওগাঁ জেলা পুলিশ এই ধরনের অপরাধ দমনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
24
বুলবুল আহম্মেদ নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
গত কয়েক মাসে নওগাঁ জেলায় একদল অপরাধী শহরের কয়েকটি স্থানে বয়স্ক মহিলাদের টার্গেট করে কথিত শয়তানের নিঃশ্বাস অর্থাৎ এক বিশেষ ধরনের কেমিক্যাল scopolamine ব্যবহার করে ভিকটিমকে সম্মোহিত করে ভিকটিমের নিকট থাকা অলংকার এবং টাকা পয়সা হাতিয়ে নেয়। এই কেমিক্যালটা কোনভাবে নাকে প্রয়োগ করলে আক্রান্ত ব্যক্তি কিছু সময়ের জন্য স্মৃতি ভ্রম হয়ে যান এবং অপরাধীর কথামতো কাজ করেন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় ভিকটিম নিজেই তার কানের দুল স্বর্ণালংকার এবং টাকা পয়সা অপরাধীর হাতে স্বেচ্ছায় তুলে দিচ্ছে কখনো বা বাসায় আলমারি খুলে অলংকার এবং টাকা পয়সা অপরাধীদের হাতে তুলে দিচ্ছে।
এ সংক্রান্তে নওগাঁ থানায় মোট তিনটি মামলা হয়। এই মামলার তদন্তে পুলিশ বেশ কয়েকবার নারায়ণগঞ্জ জেলায় অভিযান চালায়। তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্লেষণ এবং বিভিন্ন ডাটা ভিত্তিক এনালাইসিস করে জেলা গোয়েন্দা শাখা জানতে পারে যে একটি অপরাধী চক্র টাঙ্গাইলে এই ধরনের ঘটনা ঘটাতে যাচ্ছে। এই সংবাদ পরপরই পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় একটি শক্তিশালী পুলিশ দল টাঙ্গাইল প্রেরণ করা হয়। গোয়েন্দা পুলিশ টাঙ্গাইল পুরাতন বাস স্ট্যান্ড থেকে শয়তানের নিঃশ্বাস চকলেট ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করে। তিন সদস্য হচ্ছে মোঃ আবু হাসান; মো বাবু ;মো সবুজ ; প্রত্যেকের বাড়ি চনপাড়া, থানা রূপগঞ্জ জেলা নারায়ণগঞ্জ।
তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় এই চক্রটি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানা এলাকায় রয়েছে। তাদের আট দশটি গ্রুপ রয়েছে। তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে মানুষকে শয়তানের নিঃশ্বাস প্রয়োগ করে বা কেমিক্যাল প্রয়োগ করে এই ধরনের অপরাধ করে বেড়ায়। ইতিমধ্যে তারা নারায়ণগঞ্জ নওগাঁ খুলনা একটি জেলায় কমপক্ষে দশটি অপরাধ সংগঠিত করেছে।
এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন এই অপরাধ সংগঠনের ক্ষেত্রে তারা বয়স্ক মহিলাদের কে টার্গেট করেন। প্রথমে একজন অভিনয় করে ভিকটিম এর কাছে সাহায্য চায়, পরে একজন এসে ভিকটিমের কথা বলার চেষ্টা করে অপরজন এসে ভিকটিমকে শয়তানের নিঃশ্বাস বা কেমিক্যাল স্প্রে করে। অতঃপর ভিকটিম অপরাধীর কথামতো সম্মোহিত হয়ে তার অলংকার এবং টাকা পয়সা অপরাধীর হাতে তুলে দেয়। নওগাঁ জেলা পুলিশ এই ধরনের অপরাধ দমনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।