হাদি হত্যার বিচার এখনো হচ্ছে না কেন, জানালেন আসিফ নজরুল
প্রকাশিত:
রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬
১৫১
বার পড়া হয়েছে
হাদি হত্যার বিচার এখনো হচ্ছে না কেন, জানালেন আসিফ নজরুল
অনলাইন ডেস্ক ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার বিলম্বের কারণ জানিয়েছেন সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। রোববার (১৫ মার্চ) দুপুর ২টা ৩ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে পেজে এ-সংক্রান্ত পোস্ট দিয়েছেন তিনি। তার পোস্ট নিচে হুবহু দেওয়া হলো। ওসমান হাদি ছিলেন গণমানুষের অতিপ্রিয় মুখ। আমাকে বহু মানুষ অনুরোধ করতেন হাদি হত্যার বিচারের জন্য। আমি সরকারে থাকা অবস্থায় এই বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে হবে বলে জানিয়েছিলাম। এই আশাও ছিল যে, আমাদের সরকারের মেয়াদকালে এটি সম্পন্ন হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি এই হত্যার বিচার এখনো শুরুই করা যায়নি। এ বছর ৬ জানুয়ারি হাদি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছিলেন। মামলার বাদী অভিযোগপত্রে সন্তুষ্ট না হয়ে এর বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি আবেদন দেন। এ ধরনের মামলায় নারাজি দেওয়া হলে আদালতের পক্ষে অভিযোগপত্র গ্রহণ করে বিচার শুরু করা সমীচীন হয় না। আদালত তাই মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশের সিআইডিকে নির্দেশ দেন। এই তদন্ত এখনো শেষ হয়নি, তাই বিচারও শুরু করা যায়নি। সিআইডির তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করলে এবং এতে আর নারাজি না এলে বিচারকার্য শুরু হবে। কিন্তু তদন্তে ত্রুটি, অসম্পূর্ণতা বা অন্য যে কোনো কারণে বাদী আবারও নারাজি দিলে বিচার আরও পেছাতে পারে। আদালত সার্বিক বিবেচনায় সঠিক মনে করলে বাজির নারাজিকে অগ্রাহ্য করে বিচার শুরু করতে পারে। কিন্তু তাতে বিচার নিয়ে বিতর্ক উঠার আশঙ্কা থাকবে। আমরা যতটা ভাবী, তদন্ত আর বিচার আসলে এত সরল বিষয় নয়। তবে, সবার সদিচ্ছা থাকলে বিলম্ব হ্রাস করা সম্ভব, সঠিক তদন্ত ও বিচারও সম্ভব। এই সদিচ্ছা আমাদের সবার থাকা উচিত।
222
অনলাইন ডেস্ক
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার বিলম্বের কারণ জানিয়েছেন সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। রোববার (১৫ মার্চ) দুপুর ২টা ৩ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে পেজে এ-সংক্রান্ত পোস্ট দিয়েছেন তিনি। তার পোস্ট নিচে হুবহু দেওয়া হলো।
ওসমান হাদি ছিলেন গণমানুষের অতিপ্রিয় মুখ। আমাকে বহু মানুষ অনুরোধ করতেন হাদি হত্যার বিচারের জন্য। আমি সরকারে থাকা অবস্থায় এই বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে হবে বলে জানিয়েছিলাম। এই আশাও ছিল যে, আমাদের সরকারের মেয়াদকালে এটি সম্পন্ন হবে।
কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি এই হত্যার বিচার এখনো শুরুই করা যায়নি। এ বছর ৬ জানুয়ারি হাদি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছিলেন। মামলার বাদী অভিযোগপত্রে সন্তুষ্ট না হয়ে এর বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি আবেদন দেন।
এ ধরনের মামলায় নারাজি দেওয়া হলে আদালতের পক্ষে অভিযোগপত্র গ্রহণ করে বিচার শুরু করা সমীচীন হয় না। আদালত তাই মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশের সিআইডিকে নির্দেশ দেন। এই তদন্ত এখনো শেষ হয়নি, তাই বিচারও শুরু করা যায়নি।
সিআইডির তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দাখিল করলে এবং এতে আর নারাজি না এলে বিচারকার্য শুরু হবে। কিন্তু তদন্তে ত্রুটি, অসম্পূর্ণতা বা অন্য যে কোনো কারণে বাদী আবারও নারাজি দিলে বিচার আরও পেছাতে পারে। আদালত সার্বিক বিবেচনায় সঠিক মনে করলে বাজির নারাজিকে অগ্রাহ্য করে বিচার শুরু করতে পারে। কিন্তু তাতে বিচার নিয়ে বিতর্ক উঠার আশঙ্কা থাকবে।
আমরা যতটা ভাবী, তদন্ত আর বিচার আসলে এত সরল বিষয় নয়। তবে, সবার সদিচ্ছা থাকলে বিলম্ব হ্রাস করা সম্ভব, সঠিক তদন্ত ও বিচারও সম্ভব। এই সদিচ্ছা আমাদের সবার থাকা উচিত।