স্কুল শিক্ষক মাসুদ রানার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ
প্রকাশিত:
বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬
১৪
বার পড়া হয়েছে
স্কুল শিক্ষক মাসুদ রানার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি কে এই কথিত মাসুদ মাস্টার তার খুঁটির জোর কোথায়? থানায় মামলা থাকা শর্তেও কিভাবে বুক ফুলিয়ে চলাফেরা করে। সচেতন মহলের চাপা ক্ষোভ দ্রুত গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হোক এই মাসুদ মাস্টারকে। সন্ত্রাসী চাঁদাবাজির মতো জঘন্য অপরাধ করেই কিভাবে চাকরিতে বহাল রয়েছে প্রশ্ন গুণীজনদের মুখে। সবার একটাই দাবি অতিদ্রুত চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হোক মাসুদ রানাকে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : মেহেদী হাসান চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার দিয়াড় ধাইনগর লাওঘাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মাসুদ রানার বিরুদ্ধে পাহাড় সম অভিযোগ।তার বেপরোয়া সন্ত্রাসী চাঁদাবাজির জ্বালায় অতিষ্ঠ হয়ে ভুক্তভোগীর দায়ের করা এজাহার ও মামলা সূত্রে জানা গেছে জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ১০-১২ জনের একটি মাস্তান গুন্ডা বাহিনী ও সাঙ্গু পাঙ্গু নিয়ে রাতের আঁধারে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জনৈক ব্যক্তিকে পথ রোধ করে তার কাছে থাকা নগদ তিন লক্ষাধিক টাকা ছিনিয়ে নেন মাফিয়া মাস্তান ক্যাডার মাসুদ রানা এবং বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টাও করেন মাস্টার ও তার ক্যাডার বাহিনীরা।ঐ সময় পথ রোধ করে ডাকাত কমান্ডার মাসুদ রানা জনৈক ব্যক্তিকে বলেন আমাকে চিনিস তোকে প্রানে মেরে ফেলবো বাঁচতে চাইলে দ্রুত সব টাকা পয়সা দিয়ে দে এই বলে লাঠি লাদনা দিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করলে ভুক্তভোগী প্রান বাঁচাতে সব টাকা পয়সা দিয়ে দেন পরে চেঁচামেচি শুনে এলাকার লোকজন এগিয়ে আসলে ডাকাত মাসুদ ও তার বাহিনী পালিয়ে যায়। ঘটনা ঘটার পর স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।পরে পরিবারের সাথে আলাপ আলোচনা করে থানায় মাফিয়া মাস্টার মাসুদের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেন বর্তমানে মামলা চলমান। ভুক্তভোগী অভিযোগ মামলা সূত্রে জানা যায় মাস্টার মাসুদ রানা অদৃশ্য ক্ষমতার বলে তার এই সব কর্মকাণ্ড চালিয়ে যায়। এই বিষয়ে জানতে মাসুদ রানাকে একাধিক বার ফোন করেও পাওয়া যায়নি। একজন শিক্ষকের সন্ত্রাসী চাঁদাবাজির মতো এহেন কর্মকান্ড ও মামলার বিষয়ে জানতে প্রতিবেদককে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জজ কোর্টের এ্যাডভোকেট মোঃ আশিক ইকবাল (সুজন) বলেন শিক্ষকতার পরিচয় বহন করে কোন অপরাধী ছাড় পাবে না। মামলাটি বর্তমানে ডিবি অফিসে তদন্তাধীন রয়েছে। মামলার সুষ্ঠ প্রতিবেদন আসলে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা হবে। আরো চাঞ্চল্যকর বিস্তারিত তথ্য নিয়ে থাকছে ধারাবাহিক নিউজ পর্ব- ০২ এ
40
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
কে এই কথিত মাসুদ মাস্টার তার খুঁটির জোর কোথায়? থানায় মামলা থাকা শর্তেও কিভাবে বুক ফুলিয়ে চলাফেরা করে।
সচেতন মহলের চাপা ক্ষোভ দ্রুত গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হোক এই মাসুদ মাস্টারকে।
সন্ত্রাসী চাঁদাবাজির মতো জঘন্য অপরাধ করেই কিভাবে চাকরিতে বহাল রয়েছে প্রশ্ন গুণীজনদের মুখে।
সবার একটাই দাবি অতিদ্রুত চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হোক মাসুদ রানাকে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি :
মেহেদী হাসান
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার দিয়াড় ধাইনগর লাওঘাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মাসুদ রানার বিরুদ্ধে পাহাড় সম অভিযোগ।তার বেপরোয়া সন্ত্রাসী চাঁদাবাজির জ্বালায় অতিষ্ঠ হয়ে ভুক্তভোগীর দায়ের করা এজাহার ও মামলা সূত্রে জানা গেছে জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ১০-১২ জনের একটি মাস্তান গুন্ডা বাহিনী ও সাঙ্গু পাঙ্গু নিয়ে রাতের আঁধারে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জনৈক ব্যক্তিকে পথ রোধ করে তার কাছে থাকা নগদ তিন লক্ষাধিক টাকা ছিনিয়ে নেন মাফিয়া মাস্তান ক্যাডার মাসুদ রানা এবং বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টাও করেন মাস্টার ও তার ক্যাডার বাহিনীরা।ঐ সময় পথ রোধ করে ডাকাত কমান্ডার মাসুদ রানা জনৈক ব্যক্তিকে বলেন আমাকে চিনিস তোকে প্রানে মেরে ফেলবো বাঁচতে চাইলে দ্রুত সব টাকা পয়সা দিয়ে দে এই বলে লাঠি লাদনা দিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করলে ভুক্তভোগী প্রান বাঁচাতে সব টাকা পয়সা দিয়ে দেন পরে চেঁচামেচি শুনে এলাকার লোকজন এগিয়ে আসলে ডাকাত মাসুদ ও তার বাহিনী পালিয়ে যায়। ঘটনা ঘটার পর স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।পরে পরিবারের সাথে আলাপ আলোচনা করে থানায় মাফিয়া মাস্টার মাসুদের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেন বর্তমানে মামলা চলমান। ভুক্তভোগী অভিযোগ মামলা সূত্রে জানা যায় মাস্টার মাসুদ রানা অদৃশ্য ক্ষমতার বলে তার এই সব কর্মকাণ্ড চালিয়ে যায়।
এই বিষয়ে জানতে মাসুদ রানাকে একাধিক বার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।
একজন শিক্ষকের সন্ত্রাসী চাঁদাবাজির মতো এহেন কর্মকান্ড ও মামলার বিষয়ে জানতে প্রতিবেদককে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জজ কোর্টের এ্যাডভোকেট মোঃ আশিক ইকবাল (সুজন) বলেন শিক্ষকতার পরিচয় বহন করে কোন অপরাধী ছাড় পাবে না। মামলাটি বর্তমানে ডিবি অফিসে তদন্তাধীন রয়েছে। মামলার সুষ্ঠ প্রতিবেদন আসলে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা হবে।
আরো চাঞ্চল্যকর বিস্তারিত তথ্য নিয়ে থাকছে ধারাবাহিক নিউজ পর্ব- ০২ এ