শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নওগাঁয় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর কারাগারে কলম্বিয়া ওয়াশিং প্লান্ট লি: এর প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত নওগাঁয় নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু নওগাঁয় অভ্যন্তরীন বোরো ধান সংগ্রহের নামে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রাণীনগরে খাস জায়গার গাছ কাটার বিষয়ে নিরব প্রশাসন মোটরসাইকেলের সাইলেন্সের বিকট শব্দ, কিশোরের ২০ হাজার টাকা জরিমানা নওগাঁর আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার নানা সমস্যায় জর্জরিত আ.লীগ সঙ্গীদের নিয়ে কার্যালয় দখলের অভিযোগ, ছুরিকাঘাতে বিএনপি নেতা আহত মজুত থাকলেও রোগীকে স্যালাইন না দেওযায় টাকা ফেরত দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী নওগাঁয় স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিযোগীদের পুরস্কার ও বস্ত্র বিতরণ

ছাত্রদল ও এনসিপির সমালোচনায় এক্টিভিস্ট আব্দুল্লাহ হিল বাকী

  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২০৭ বার পড়া হয়েছে
329

ইমান আলী, স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা

ঢাকা, সোমবার ২৭ এপ্রিল ২০২৬—
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় এক্টিভিস্ট আব্দুল্লাহিল বাকী। বিশেষ করে শাহবাগ থানায় সংঘটিত একটি ঘটনায় ছাত্রদল ও এনসিপিসহ বড় সংগঠনগুলোর নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
তার বক্তব্যে উঠে আসে, আলোচিত একটি ঘটনার পরও বড় কোনো ছাত্র সংগঠন থেকে দৃশ্যমান প্রতিবাদ বা আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না আসা বিস্ময়কর। বিষয়টি নিয়ে সংগঠনগুলোর অবস্থান ও দায়বদ্ধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
পর্যবেক্ষকদের মতে, ছাত্র রাজনীতিতে পারস্পরিক দূরত্ব, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও পূর্বের অভিজ্ঞতা অনেক ক্ষেত্রে যৌথ প্রতিক্রিয়াকে প্রভাবিত করছে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাতেও অনেক সংগঠন নিরব ভূমিকা পালন করছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি লেখেন—
শাহবাগ থানায় শিবির ও ডাকসু নেতাদের উপর যে হামলা হলো, কোনো বড় ছাত্র সংগঠনকে দেখেছেন কোনো প্রতিবাদলিপি কিংবা কোনো বিবৃতি দিতে? আমার চোখে পড়েনি এখনো। অথবা ছোট কোনো সংগঠনও দিয়েছে? শাহবাগে যেটা ঘটলো এটা কিন্তু ছোট-খাটো কোনো ঘটনা নয়, বেশ আলোচিতই বলা যায়।
কেন কোনো ছাত্র সংগঠন বা কোনো দল বিবৃতিটুকু পর্যন্ত দিতে আগ্রহী হয়নি শিবিরের জন্য, এটা কি তারা ভেবে দেখেছে নাকি নিজেদের অহংকার নিয়েই গো ধরে আছে!
ঢাবি ক্যাম্পাসে ছোট কোনো ঘটনাতেও অন্তত ৩-৪ টা সংগঠন বিবৃতি দেয়াটা একেবারেই নর্মাল।
কিন্তু শিবিরের পক্ষে কোনো সংগঠন বিবৃতি দেয়নি। ইভেন জামায়াতের জোট মিত্র এনসিপি কিংবা ছাত্রশক্তিও তেমন আগ্রহী হয়নি পূর্বের তিক্ত অভিজ্ঞতার জন্য।
কারণে অকারণে সবাইকে শত্রু বানানোর প্রজেক্ট হাতে নিলে যেটা হয় সেটাই ঘটেছে। একমাত্র আমরাই সঠিক, বাকি সবাই গাদ্দার, ধোকাবাজ, মোনাফিক ব্লা ব্লা…. এই টাইপের নীতি গ্রহণ করে বন্ধুহীন পথচলা কতোটা মসৃণ হয় সেটা যারা বুঝার তারা ঠিকই বুঝবে।
শাহবাগে সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনাটুকু যদি না ঘটতো, আমার মনে হয় না কেউ এই রিলেটেড ঘটনা নিয়ে তেমন রিএক্ট করতো! সাংবাদিকদের উপরে হা*মলা হওয়াতে পুরো বিষয়টা জনপরিসরে আলোচিত হয়েছে। নতুবা এতটুকুও হতো না নিজেদের গন্ডির বাইরে গিয়ে।
সবাইকে শত্রু বানানোর প্রজেক্ট লং রানে বিপদই ডেকে আনে। সরকার আরেকটু স্ট্রং পজিশনে গেলে কেউ বিপদে পড়লে অপরাপর মিত্ররাই পাশে থাকে। সেটা পেতে গেলে সবার আগে ‘সবাইকে শত্রু’ বানানোর প্রজেক্ট অফ করতে হবে।
ভালো বা খারাপ কিছু বললে কিংবা ন্যূনতম সমালোচনা করলেও যেভাবে পঙ্গপালের মতো কমেন্টবক্সে ঝাঁপিয়ে পড়ে, খুবি দৃষ্টিকটু। আর এর থেকে বেশি কিছু বললে শুরু করে দককিন দককিন… ভাই মনে হয় দককিন নিয়েই লিখছে! কি লেইমরে ভাই, মানুষের জীবনে এক দককিন ছাড়া আর কোনো কিছু নেই? হাসি আসে কিছু মানুষের কথা শুনলে।
যাইহোক, সর্বশত্রু হয়ে থাকা যাদের নেশা, তাদের জন্য রইলো শুভকামনা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews