কাঠালিয়ায় আড়াই লাখ টাকায় বিক্রি হলো ২৫ মন ওজনের দানব মাছ
এইচ এম শুভ ঝালকাঠি প্রতিনিধি
প্রকাশিত:
বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
৩৪
বার পড়া হয়েছে
কাঠালিয়ায় আড়াই লাখ টাকায় বিক্রি হলো ২৫ মন ওজনের দানব মাছ
এইচ এম শুভ ঝালকাঠি প্রতিনিধি >> করাতের মতো মুখ, ২৫ মনের দেহ উঠে এলো ডাঙ্গায়, করাতের মতো মুখ, ২৫ মনের দেহ দেখেই মঙ্গলবার ভোরের নিস্তব্ধতাকে বদলে দিল কাঁঠালিয়ার আমুয়া মৎস্য বন্দরে।কুয়াশা ভেদ করে ট্রলার ভিড়তেই যেন সময় থমকে দাঁড়ায়। ট্রলারে থাকা জাল থেকে ধীরে ধীরে যখন বিশাল সেই দেহটিকে তোলা হলো, প্রথমে দূর থেকে মনে হচ্ছিল কোনো অচেনা দানব। কাছে আসতেই বোঝা গেল, এটি সেই বিরল খটক মাছ, স্থানীয়দের কাছে পরিচিত ‘করাতি হাঙর’ নামে। মাছটি পুরোপুরি ডাঙ্গায় তোলার পরই তার আসল রূপ সামনে আসে। করাতের মতো লম্বা, সরু মুখ, আর তার সঙ্গে ২৫ মনের বিশাল দেহ, সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত উপস্থিতি। দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজনের ভিড়ের মধ্যেও সেটি যেন আলাদা করে নিজের অস্তিত্ব ঘোষণা করছিল। অনেকেই কয়েক পা পিছিয়ে যাচ্ছিলেন, আবার কেউ কেউ সাহস করে এগিয়ে এসে কাছ থেকে দেখার চেষ্টা করছিলেন। ভিড়ের মধ্যে চাপা গুঞ্জন। কেউ বলছেন, এমন মাছ জীবনে প্রথম দেখলেন। কেউ আবার পুরনো দিনের স্মৃতি টেনে বলছেন, বহু বছর আগে নাকি একবার পার্শবতী মঠবাড়িয়ায় এমন কিছু ধরা পড়েছিল। তবে এত বড় আকারে দেখা যায়নি। শিশুদের চোখে বিস্ময়, বড়দের চোখে কৌতূহল আর কোথাও কোথাও অজানা এক শঙ্কার ছায়া। স্থানীয় জেলেদের কাছে এই ধরা নিছক কোনো মাছ ধরা নয়, বরং দীর্ঘ লড়াইয়ের ফসল। বঙ্গোপসাগরের গভীর জলে নেমে এমন একটি প্রাণীকে জালে তোলা সহজ কাজ নয়। তাদের ভাষায়, সমুদ্র সবসময় একই রকম থাকে না। কখনো শূন্য হাতে ফিরতে হয়, আবার কখনো হঠাৎ করে এমন অচেনা, বিরল কিছু ধরা পড়ে, যা পুরো দিনটাকেই অন্যরকম করে দেয়। নিলামের সময় বন্দরের পরিবেশ বদলে যায়। সাধারণ দিনের মতো নয়, সেখানে ছিল বাড়তি উত্তেজনা। দর উঠছিল, কমছিল, আবার উঠছিল। শেষ পর্যন্ত আড়াই লাখ টাকায় মাছটি কিনে নেন স্থানীয় আড়তদার আব্দুল হাই সরদার। এরপর সেটিকে আরও বেশি দামে বিক্রির আশায় মঠবাড়িয়া হয়ে পিরোজপুরের পারেরহাট মৎস্য বন্দরের দিকে পাঠানো হয়। তবে টাকার অঙ্কের বাইরেও এই ঘটনাটি স্থানীয়দের কাছে এক ধরনের অভিজ্ঞতা হয়ে রয়ে গেল। সমুদ্রের অজানা গভীরতা যে কতটা বিস্ময় লুকিয়ে রাখে, তার একটি জীবন্ত উদাহরণ যেন ভেসে এলো ডাঙায়। মঙ্গলবার ভোরের সেই মুহূর্ত, করাতের মতো মুখ আর ২৫ মনের দেহ, সব মিলিয়ে কাঁঠালিয়ার মানুষজনের মনে দীর্ঘ সময় ধরে রয়ে যাবে এই অদ্ভুত সাক্ষাৎ।
66
এইচ এম শুভ ঝালকাঠি প্রতিনিধি
>> করাতের মতো মুখ, ২৫ মনের দেহ উঠে এলো ডাঙ্গায়, করাতের মতো মুখ, ২৫ মনের দেহ দেখেই মঙ্গলবার ভোরের নিস্তব্ধতাকে বদলে দিল কাঁঠালিয়ার আমুয়া মৎস্য বন্দরে।কুয়াশা ভেদ করে ট্রলার ভিড়তেই যেন সময় থমকে দাঁড়ায়।
ট্রলারে থাকা জাল থেকে ধীরে ধীরে যখন বিশাল সেই দেহটিকে তোলা হলো, প্রথমে দূর থেকে মনে হচ্ছিল কোনো অচেনা দানব।
কাছে আসতেই বোঝা গেল, এটি সেই বিরল খটক মাছ, স্থানীয়দের কাছে পরিচিত ‘করাতি হাঙর’ নামে।
মাছটি পুরোপুরি ডাঙ্গায় তোলার পরই তার আসল রূপ সামনে আসে।
করাতের মতো লম্বা, সরু মুখ, আর তার সঙ্গে ২৫ মনের বিশাল দেহ, সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত উপস্থিতি।
দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজনের ভিড়ের মধ্যেও সেটি যেন আলাদা করে নিজের অস্তিত্ব ঘোষণা করছিল।
অনেকেই কয়েক পা পিছিয়ে যাচ্ছিলেন, আবার কেউ কেউ সাহস করে এগিয়ে এসে কাছ থেকে দেখার চেষ্টা করছিলেন।
ভিড়ের মধ্যে চাপা গুঞ্জন। কেউ বলছেন, এমন মাছ জীবনে প্রথম দেখলেন। কেউ আবার পুরনো দিনের স্মৃতি টেনে বলছেন, বহু বছর আগে নাকি একবার পার্শবতী মঠবাড়িয়ায় এমন কিছু ধরা পড়েছিল।
তবে এত বড় আকারে দেখা যায়নি। শিশুদের চোখে বিস্ময়, বড়দের চোখে কৌতূহল আর কোথাও কোথাও অজানা এক শঙ্কার ছায়া।
স্থানীয় জেলেদের কাছে এই ধরা নিছক কোনো মাছ ধরা নয়, বরং দীর্ঘ লড়াইয়ের ফসল।
বঙ্গোপসাগরের গভীর জলে নেমে এমন একটি প্রাণীকে জালে তোলা সহজ কাজ নয়। তাদের ভাষায়, সমুদ্র সবসময় একই রকম থাকে না।
কখনো শূন্য হাতে ফিরতে হয়, আবার কখনো হঠাৎ করে এমন অচেনা, বিরল কিছু ধরা পড়ে, যা পুরো দিনটাকেই অন্যরকম করে দেয়।
নিলামের সময় বন্দরের পরিবেশ বদলে যায়। সাধারণ দিনের মতো নয়, সেখানে ছিল বাড়তি উত্তেজনা। দর উঠছিল, কমছিল, আবার উঠছিল।
শেষ পর্যন্ত আড়াই লাখ টাকায় মাছটি কিনে নেন স্থানীয় আড়তদার আব্দুল হাই সরদার। এরপর সেটিকে আরও বেশি দামে বিক্রির আশায় মঠবাড়িয়া হয়ে পিরোজপুরের পারেরহাট মৎস্য বন্দরের দিকে পাঠানো হয়।
তবে টাকার অঙ্কের বাইরেও এই ঘটনাটি স্থানীয়দের কাছে এক ধরনের অভিজ্ঞতা হয়ে রয়ে গেল। সমুদ্রের অজানা গভীরতা যে কতটা বিস্ময় লুকিয়ে রাখে, তার একটি জীবন্ত উদাহরণ যেন ভেসে এলো ডাঙায়।
মঙ্গলবার ভোরের সেই মুহূর্ত, করাতের মতো মুখ আর ২৫ মনের দেহ, সব মিলিয়ে কাঁঠালিয়ার মানুষজনের মনে দীর্ঘ সময় ধরে রয়ে যাবে এই অদ্ভুত সাক্ষাৎ।