সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা: ফেনীর পেট্রোল পাম্পে চলছে তেল বাণিজ্যে অনিয়ম ও বৈষম্য
প্রকাশিত:
সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬
১৪৫
বার পড়া হয়েছে
সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা: ফেনীর পেট্রোল পাম্পে চলছে তেল বাণিজ্যে অনিয়ম ও বৈষম্য
জসিম উদ্দিন, ফেনী প্রতিনিধি সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে ফেনীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে চলছে প্রকাশ্য অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি এবং তেল সরবরাহে চরম বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ গ্রাহক যেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অল্প পরিমাণ জ্বালানি পাচ্ছেন, সেখানে প্রভাবশালীদের পরিচয়ে অনেকে লাইনে না দাঁড়িয়েই নিচ্ছেন কয়েকগুণ বেশি তেল। অভিযোগ রয়েছে, শহরের কলেজ রোডে অবস্থিত আবদুল কুদ্দুস ফিলিং স্টেশন-এ চার চাকার বিশেষ কিছু গাড়িকে নিয়মের বাইরে গিয়ে দ্বিগুণ পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। এসব গাড়িতে একবারেই ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকার তেল নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের দাবি, সাধারণ মোটরসাইকেল আরোহীরা ১ থেকে ২ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে মাত্র ২০০ টাকার তেল সংগ্রহ করতে পারছেন। অথচ একই সময়ে পাম্পের মালিক, ম্যানেজার বা তাদের পরিচিত ব্যক্তিরা কোনো লাইনে না দাঁড়িয়েই ৫০০ থেকে ১০০০ টাকার তেল নিয়ে চলে যাচ্ছেন। একজন বাইকার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এগুলো শুধু একটি পাম্পেই নয়, প্রায় সব পাম্পেই হচ্ছে। আমাদের দাগনভূঁইয়ার ইব্রাহিম পাম্পে গতকাল রাতে দেখলাম—পাবলিক দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে ২০০ টাকার তেল পাচ্ছে, আর অন্য পাশ দিয়ে মালিকপক্ষের পরিচয়ে লোকজন এসে সহজেই বেশি তেল নিয়ে যাচ্ছে। অভিযোগের বিষয়ে পাম্পের কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। ফলে অনিয়মের অভিযোগ আরও জোরালো হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু সরকারি নির্দেশনার লঙ্ঘনই নয়, বরং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম অসন্তোষ সৃষ্টি হচ্ছে এবং কালোবাজারি ও সিন্ডিকেটের আশঙ্কাও বাড়ছে। তারা অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি বৃদ্ধি, দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জ্বালানি বিতরণে সমতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
232
জসিম উদ্দিন, ফেনী প্রতিনিধি
সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে ফেনীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে চলছে প্রকাশ্য অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি এবং তেল সরবরাহে চরম বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ গ্রাহক যেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অল্প পরিমাণ জ্বালানি পাচ্ছেন, সেখানে প্রভাবশালীদের পরিচয়ে অনেকে লাইনে না দাঁড়িয়েই নিচ্ছেন কয়েকগুণ বেশি তেল।
অভিযোগ রয়েছে, শহরের কলেজ রোডে অবস্থিত আবদুল কুদ্দুস ফিলিং স্টেশন-এ চার চাকার বিশেষ কিছু গাড়িকে নিয়মের বাইরে গিয়ে দ্বিগুণ পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। এসব গাড়িতে একবারেই ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকার তেল নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের দাবি, সাধারণ মোটরসাইকেল আরোহীরা ১ থেকে ২ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে মাত্র ২০০ টাকার তেল সংগ্রহ করতে পারছেন। অথচ একই সময়ে পাম্পের মালিক, ম্যানেজার বা তাদের পরিচিত ব্যক্তিরা কোনো লাইনে না দাঁড়িয়েই ৫০০ থেকে ১০০০ টাকার তেল নিয়ে চলে যাচ্ছেন।
একজন বাইকার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
এগুলো শুধু একটি পাম্পেই নয়, প্রায় সব পাম্পেই হচ্ছে। আমাদের দাগনভূঁইয়ার ইব্রাহিম পাম্পে গতকাল রাতে দেখলাম—পাবলিক দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে ২০০ টাকার তেল পাচ্ছে, আর অন্য পাশ দিয়ে মালিকপক্ষের পরিচয়ে লোকজন এসে সহজেই বেশি তেল নিয়ে যাচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে পাম্পের কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। ফলে অনিয়মের অভিযোগ আরও জোরালো হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু সরকারি নির্দেশনার লঙ্ঘনই নয়, বরং জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম অসন্তোষ সৃষ্টি হচ্ছে এবং কালোবাজারি ও সিন্ডিকেটের আশঙ্কাও বাড়ছে।
তারা অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি বৃদ্ধি, দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জ্বালানি বিতরণে সমতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।