সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের বেলাব এলাকায় মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে একটি বাড়িতে বর্বরোচিত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। হামলায় বাধা দাতার স্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন এবং বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবারটি বাড়িছাড়া অবস্থায় রয়েছে। গত ৪ জুন (বৃহস্পতিবার) বিকেলে জামপুর ইউনিয়নের বেলাব এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. আলাউদ্দিনের পুত্রবধূ রুনা আক্তার বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনার বিবরণ: অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাবেক এক মন্ত্রীর বেলাব এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে মো. আলাউদ্দিন সপরিবারে বসবাস করে আসছেন। বাড়িটি কিছুটা নির্জন ও জনশূন্য এলাকায় হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় কিছু মাদকসেবী ও ব্যবসায়ী এটিকে নিরাপদ আখড়া হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছিল। এতে আলাউদ্দিনের পরিবার বাধা দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে মাদক কারবারিরা। এরই জেরে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে পেরাব এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী শাওন (২৫), সাব্বির (২৬), রাতুল (২৫) ও আবির (২৩)-সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮-১০ জন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আলাউদ্দিনের বাড়িতে চড়াও হয়। রামদা, চাপাতি, ছুরি ও লোহার রড নিয়ে তারা পুরো বাড়িতে তাণ্ডব চালায়। ক্ষয়ক্ষতি ও আহতের বিবরণ: হামলাকারীরা ঘরের টিনের বেড়া কুপিয়ে এবং দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। একপর্যায়ে ঘরে থাকা নগদ টাকা ও মূল্যবান মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। এতে প্রায় ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় সন্ত্রাসীদের বাধা দিতে গেলে আলাউদ্দিনের স্ত্রী আয়েশা বেগমকে (৪৮) পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। বর্তমান পরিস্থিতি: ভুক্তভোগী পরিবারটি জানায়, প্রকাশ্যে এমন হামলার পর এবং হামলাকারীদের অব্যাহত হুমকিতে তারা বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে মামলার বাদী রুনা আক্তারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। অন্যদিকে, অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে দাবি করেন, "এটি আমাদের বিরুদ্ধে সাজানো নাটক। আমরা এই ঘটনার সাথে জড়িত নই।" বক্তব্য দেওয়ার পরপরই তারা নিজেদের মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন। প্রশাসনের বক্তব্য: সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম সরোয়ার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "এই বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। পুলিশ বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে। ঘটনার সাথে জড়িত দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
92
সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের বেলাব এলাকায় মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে একটি বাড়িতে বর্বরোচিত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। হামলায় বাধা দাতার স্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন এবং বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবারটি বাড়িছাড়া অবস্থায় রয়েছে।
গত ৪ জুন (বৃহস্পতিবার) বিকেলে জামপুর ইউনিয়নের বেলাব এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. আলাউদ্দিনের পুত্রবধূ রুনা আক্তার বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘটনার বিবরণ:
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাবেক এক মন্ত্রীর বেলাব এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে মো. আলাউদ্দিন সপরিবারে বসবাস করে আসছেন। বাড়িটি কিছুটা নির্জন ও জনশূন্য এলাকায় হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় কিছু মাদকসেবী ও ব্যবসায়ী এটিকে নিরাপদ আখড়া হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করছিল। এতে আলাউদ্দিনের পরিবার বাধা দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে মাদক কারবারিরা।
এরই জেরে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে পেরাব এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী শাওন (২৫), সাব্বির (২৬), রাতুল (২৫) ও আবির (২৩)-সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮-১০ জন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আলাউদ্দিনের বাড়িতে চড়াও হয়। রামদা, চাপাতি, ছুরি ও লোহার রড নিয়ে তারা পুরো বাড়িতে তাণ্ডব চালায়।
ক্ষয়ক্ষতি ও আহতের বিবরণ:
হামলাকারীরা ঘরের টিনের বেড়া কুপিয়ে এবং দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। একপর্যায়ে ঘরে থাকা নগদ টাকা ও মূল্যবান মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। এতে প্রায় ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় সন্ত্রাসীদের বাধা দিতে গেলে আলাউদ্দিনের স্ত্রী আয়েশা বেগমকে (৪৮) পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।
বর্তমান পরিস্থিতি:
ভুক্তভোগী পরিবারটি জানায়, প্রকাশ্যে এমন হামলার পর এবং হামলাকারীদের অব্যাহত হুমকিতে তারা বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে মামলার বাদী রুনা আক্তারের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
অন্যদিকে, অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে দাবি করেন, “এটি আমাদের বিরুদ্ধে সাজানো নাটক। আমরা এই ঘটনার সাথে জড়িত নই।” বক্তব্য দেওয়ার পরপরই তারা নিজেদের মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন।
প্রশাসনের বক্তব্য:
সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম সরোয়ার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “এই বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ আমরা পেয়েছি। পুলিশ বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে। ঘটনার সাথে জড়িত দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”