সংসদে নওগাঁয় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি; প্রস্তাব পাঠানোর নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর
প্রকাশিত:
শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬
২৫
বার পড়া হয়েছে
সংসদে নওগাঁয় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি; প্রস্তাব পাঠানোর নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি :: শামীম আনসারী শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে জিডিপির ২ শতাংশ সমপরিমাণ বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে আগামী পাঁচ বছরে এ বরাদ্দ ধাপে ধাপে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সরকার। নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থী ঝরে পড়া কমাতে এ অর্থ ব্যয় করা হবে। বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে নওগাঁ-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম (ধলু)-এর এক প্রশ্নের জবাবে সরকারের পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। এদিকে একই অধিবেশনে আরেকটি প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম (ধলু) নওগাঁ জেলায় একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তাব পাঠানোর নির্দেশনা প্রদান করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি করা হবে। অতিরিক্ত বরাদ্দের একটি বড় অংশ শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, জাতীয় শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে ব্যয় করা হবে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এসইডিপি)-এর আওতায় ২০২৬–২৭ অর্থবছরে মোট ৪ হাজার ১৯৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের জন্য ৩ হাজার ৫৯৯ কোটি এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এসইডিপির ১০টি চলমান স্কিমের একটি জাতীয় শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন ও শিক্ষক প্রশিক্ষণের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (এলএআইএসই) প্রকল্পের আওতায় শিক্ষক প্রশিক্ষণের জন্য ৮১০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ৩ লাখ ৪৭ হাজার ২১ জন শিক্ষক, প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ, নেতৃত্ব বিকাশ, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে পরিচালন বাজেটে ৩ হাজার ৪০ দশমিক ৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের জন্য ২ হাজার ১৯৬ দশমিক ৪ কোটি এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য ৮৪৪ দশমিক ৫ কোটি টাকা রয়েছে। অন্যদিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে পিইডিপি-৫সহ মোট পাঁচটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। চলতি অর্থবছরে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের জন্য ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও মেধাবৃত্তির জন্য ৫ হাজার ৫৩৪ দশমিক ৭৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থী ঝরে পড়া কমাতে উপবৃত্তি ও বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের পাশাপাশি স্কুল ফিডিং কর্মসূচি, স্কুল ড্রেস বিতরণ এবং ক্রীড়া উপকরণ সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের আশা, বাড়তি বিনিয়োগের কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষার মান আরও উন্নত হবে এবং শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
68
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি :: শামীম আনসারী
শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে জিডিপির ২ শতাংশ সমপরিমাণ বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে আগামী পাঁচ বছরে এ বরাদ্দ ধাপে ধাপে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সরকার। নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থী ঝরে পড়া কমাতে এ অর্থ ব্যয় করা হবে।
বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে নওগাঁ-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম (ধলু)-এর এক প্রশ্নের জবাবে সরকারের পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। এদিকে একই অধিবেশনে আরেকটি প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম (ধলু) নওগাঁ জেলায় একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তাব পাঠানোর নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি করা হবে। অতিরিক্ত বরাদ্দের একটি বড় অংশ শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, জাতীয় শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে ব্যয় করা হবে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সেকেন্ডারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এসইডিপি)-এর আওতায় ২০২৬–২৭ অর্থবছরে মোট ৪ হাজার ১৯৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের জন্য ৩ হাজার ৫৯৯ কোটি এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এসইডিপির ১০টি চলমান স্কিমের একটি জাতীয় শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন ও শিক্ষক প্রশিক্ষণের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (এলএআইএসই) প্রকল্পের আওতায় শিক্ষক প্রশিক্ষণের জন্য ৮১০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ৩ লাখ ৪৭ হাজার ২১ জন শিক্ষক, প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ, নেতৃত্ব বিকাশ, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে পরিচালন বাজেটে ৩ হাজার ৪০ দশমিক ৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের জন্য ২ হাজার ১৯৬ দশমিক ৪ কোটি এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য ৮৪৪ দশমিক ৫ কোটি টাকা রয়েছে। অন্যদিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে পিইডিপি-৫সহ মোট পাঁচটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।
চলতি অর্থবছরে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের জন্য ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও মেধাবৃত্তির জন্য ৫ হাজার ৫৩৪ দশমিক ৭৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
শিক্ষার্থী ঝরে পড়া কমাতে উপবৃত্তি ও বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের পাশাপাশি স্কুল ফিডিং কর্মসূচি, স্কুল ড্রেস বিতরণ এবং ক্রীড়া উপকরণ সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সরকারের আশা, বাড়তি বিনিয়োগের কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষার মান আরও উন্নত হবে এবং শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।