শাহ আলী মাজারের ঘটনার পর মুফতী হাফিজ আহাম্মদ নিজামী শাফির স্ট্যাটাসে আলোচনা,
হবিগঞ্জ( মাধবপুর) প্রতিনিধি :ফোরকান উদ্দিন রোমান,
প্রকাশিত:
শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬
৩৩
বার পড়া হয়েছে
শাহ আলী মাজারের ঘটনার পর মুফতী হাফিজ আহাম্মদ নিজামী শাফির স্ট্যাটাসে আলোচনা,
হবিগঞ্জ( মাধবপুর) প্রতিনিধি :ফোরকান উদ্দিন রোমান, ফঢাকার মিরপুরের শাহ আলী মাজারে সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় এসেছেন মাওলানা হাফিজ আহমদ নিজামী শাফি। হবিগঞ্জের দারুচ্ছুন্ন এমএ কামিল মাদ্রাসার হাদিস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মাওলানা নিজামী শাফি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেইজে এক পোস্টে বলেন, “মাজারে মাদক গ্রহণ করা নিঃসন্দেহে ভণ্ডামি, কিন্তু ধর্মের লেবাসে মব সন্ত্রাস কায়েম করে ইসলামকে কলুষিত করা তার চেয়েও মারাত্মক ভণ্ডামি।” তার এই মন্তব্যটি মূলত শাহ আলী মাজারে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করেই করা হয়েছে বলে জানা যায়। পোস্টটি প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। সচেতন মহলের অনেকেই তার বক্তব্যকে সময়োপযোগী ও সাহসী হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাদের মতে, তিনি ধর্মের নামে কোনো ধরনের সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে ইসলামের প্রকৃত ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। এছাড়া তারা মনে করেন, এমন দায়িত্বশীল ও ভারসাম্যপূর্ণ বক্তব্য সমাজে শান্তি, সহনশীলতা ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
85
হবিগঞ্জ( মাধবপুর) প্রতিনিধি :ফোরকান উদ্দিন রোমান,
ফঢাকার মিরপুরের শাহ আলী মাজারে সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় এসেছেন মাওলানা হাফিজ আহমদ নিজামী শাফি।
হবিগঞ্জের দারুচ্ছুন্ন এমএ কামিল মাদ্রাসার হাদিস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মাওলানা নিজামী শাফি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেইজে এক পোস্টে বলেন, “মাজারে মাদক গ্রহণ করা নিঃসন্দেহে ভণ্ডামি, কিন্তু ধর্মের লেবাসে মব সন্ত্রাস কায়েম করে ইসলামকে কলুষিত করা তার চেয়েও মারাত্মক ভণ্ডামি।”
তার এই মন্তব্যটি মূলত শাহ আলী মাজারে ঘটে যাওয়া সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করেই করা হয়েছে বলে জানা যায়। পোস্টটি প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
সচেতন মহলের অনেকেই তার বক্তব্যকে সময়োপযোগী ও সাহসী হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাদের মতে, তিনি ধর্মের নামে কোনো ধরনের সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে ইসলামের প্রকৃত ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।
এছাড়া তারা মনে করেন, এমন দায়িত্বশীল ও ভারসাম্যপূর্ণ বক্তব্য সমাজে শান্তি, সহনশীলতা ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।