মোঃ শাহ কবির ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলায় তেল সংকটের মধ্যেও তেল চুরির ঘটনায় জড়িত চোরাচালান চক্রকে শনাক্ত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ভোলাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আব্দুল বারিক। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সোনাজল এলাকার হিরো ইট ভাটার ভেতরে তেল চুরির ঘটনা ঘটে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান চালায় ভোলাহাট থানা পুলিশ। এ সময় একটি তেলবাহী গাড়ি জব্দ করা হলেও জড়িত চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যায়। ঘটনার পরপরই ওসি মোঃ আব্দুল বারিকের নেতৃত্বে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নেমে পড়ে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্থানে অভিযান জোরদার করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের শনাক্তে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কাজ চলছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যে আমরা দুজনকে আটক করেছি এবং খুব শিগগিরই চোরাচালান চক্রের সদস্যদের আইনের আওতায় আনা হবে। ভোলাহাট থানা সূত্রে আরও জানা গেছে, জব্দকৃত তেলবাহী গাড়িগুলো পুলিশ হেফাজতে রয়েছে এবং এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। তেল চুরি ও চোরাচালান প্রতিরোধে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে বলেও জানিয়েছেন ওসি। এ বিষয়ে ওসি মোঃ আব্দুল বারিক বলেন, “তেল চোরাচালান চক্রকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না সাথে অন্যান্য অপরাধিকে। আমরা তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। জনগণের সহযোগিতা পেলে দ্রুতই এ চক্রের মূল হোতাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।” স্থানীয় সচেতন মহল পুলিশের এ তৎপরতাকে স্বাগত জানিয়ে দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
100
মোঃ শাহ কবির ভোলাহাট (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলায় তেল সংকটের মধ্যেও তেল চুরির ঘটনায় জড়িত চোরাচালান চক্রকে শনাক্ত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ভোলাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আব্দুল বারিক।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সোনাজল এলাকার হিরো ইট ভাটার ভেতরে তেল চুরির ঘটনা ঘটে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান চালায় ভোলাহাট থানা পুলিশ। এ সময় একটি তেলবাহী গাড়ি জব্দ করা হলেও জড়িত চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যায়।
ঘটনার পরপরই ওসি মোঃ আব্দুল বারিকের নেতৃত্বে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নেমে পড়ে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্থানে অভিযান জোরদার করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের শনাক্তে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কাজ চলছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যে আমরা দুজনকে আটক করেছি এবং খুব শিগগিরই চোরাচালান চক্রের সদস্যদের আইনের আওতায় আনা হবে।
ভোলাহাট থানা সূত্রে আরও জানা গেছে, জব্দকৃত তেলবাহী গাড়িগুলো পুলিশ হেফাজতে রয়েছে এবং এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। তেল চুরি ও চোরাচালান প্রতিরোধে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে বলেও জানিয়েছেন ওসি।
এ বিষয়ে ওসি মোঃ আব্দুল বারিক বলেন, “তেল চোরাচালান চক্রকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না সাথে অন্যান্য অপরাধিকে। আমরা তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। জনগণের সহযোগিতা পেলে দ্রুতই এ চক্রের মূল হোতাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।”
স্থানীয় সচেতন মহল পুলিশের এ তৎপরতাকে স্বাগত জানিয়ে দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।