বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাসব্যাপী ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প মেলা শুরু ​রূপগঞ্জে বিনামূল্যে চক্ষু ও ডায়াবেটিস সেবা পেলেন ৫০০ রোগী স্কুল শিক্ষক মাসুদ রানার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ লালপুরে টিনশেডের তিন কক্ষে চলছে অর্জুনপুর-বরমহাটি ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম ডাবের সাথে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে হাতিয়ে নিতেন মালামাল, গ্রেফতার ৪ রথযাত্রা উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা পুলিশের মতবিনিময় সভা তানোরে পুলিশের অভিযানে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী গাজাসহ গ্রেফতার; এলাকায় স্বস্তি গোমস্তাপুরে শতভাগ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সম্পন্নের লক্ষ্যে টাস্ক ফোর্স কমিটির সভা অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত ও দখলবাজমুক্ত কাঁচপুর ইউনিয়ন গড়ে তুলবো—চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আল-আমিন চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশের অভিযানে ৭ হাজার ইয়াবাসহ মোটরসাইকেল আটক

ভূরুঙ্গামারীতে ৭ বছরেও শেষ হয়নি ১৩৬ কোটি টাকার সেতুর কাজ দ্রুত শেষের নির্দেশ এমপি আনোয়ারুলের

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ১৭৬ বার পড়া হয়েছে
253

মোঃ আল জোবায়ের আহমেদ শাওন (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দুধকুমার নদীর ওপর নির্মাণাধীন সোনাহাট সেতুর কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন কুড়িগ্রাম-১ (ভূরুঙ্গামারী-নাগেশ্বরী) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে তিনি নির্মাণাধীন সেতু এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করার তাগিদ দেন।

পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহাদাৎ হোসেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মেহেদী হাসান সরকার, উপজেলা প্রকৌশলী ইনছাফুল হক সরকারসহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং সোনাহাট স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালে পুরোনো সোনাহাট বেইলি (রেল) সেতুর কিছুটা ভাটিতে দুধকুমার নদীর ওপর ৬৪৫ দশমিক ১৫ মিটার দীর্ঘ নতুন সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়। এমএম বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড এবং ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড যৌথভাবে প্রকল্পটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে।

১৩৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন এই সেতু ও সংযোগ সড়কের কাজ ২০২১ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে নানা জটিলতায় চার দফায় সময় ও ব্যয় বৃদ্ধি করা হলেও প্রায় সাত বছরেও কাজ সম্পন্ন করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

এদিকে নতুন সেতুর কাজ শেষ না হওয়ায় বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ পুরোনো বেইলি সেতু দিয়েই যানবাহন চলাচল করছে। ফলে দেশের ১৮তম সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি কচাকাটা থানাসহ উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের কয়েক লাখ মানুষকে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ জানিয়েছে, আগামী জুন মাসের মধ্যে সেতুর নির্মাণকাজ শেষ করে যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কাজের ধীরগতির কারণে স্থানীয়দের মধ্যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেতু চালু হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মেহেদী হাসান সরকার বলেন, “সেতুর নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। ভূরুঙ্গামারী প্রান্তে সেতুর অ্যাপ্রোচ সড়কের কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। অপর প্রান্তে জমি অধিগ্রহণ নিয়ে সড়ক বিভাগ ও রেলওয়ের মধ্যে আলোচনা চলছে। আশা করছি আগামী জুনের মধ্যেই সেতুর কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।”

স্থানীয়রা জানান, সেতুটি চালু হলে সোনাহাট স্থলবন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বৃদ্ধি পাবে এবং ভূরুঙ্গামারী – নাগেশ্বরীসহ আশপাশের এলাকার মানুষের যাতায়াত সহজ হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews