আড়াইহাজার সরকারি সফর আলী কলেজে শিবির কর্মীকে আহতের ঘটনায় নিন্দা ও শাস্তির দাবি
মোঃ মাহবুবুর রহমান, বিশেষ প্রতিনিধি,
প্রকাশিত:
রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
৫৭
বার পড়া হয়েছে
আড়াইহাজার সরকারি সফর আলী কলেজে শিবির কর্মীকে আহতের ঘটনায় নিন্দা ও শাস্তির দাবি
মোঃ মাহবুবুর রহমান, বিশেষ প্রতিনিধি, আড়াইহাজার সরকারি সফর আলী কলেজে এক শিবির কর্মীকে মারধর করে আহত করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা। শনিবার (২৬ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা আমীর মুহাম্মদ মমিনুল হক সরকার এবং জেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান। বিবৃতিতে বলা হয়, আড়াইহাজার সফর উদ্দিন ভূইয়া ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ও শিবির কর্মী তরিকুল ইসলাম কলেজে গেলে ছাত্রদলের কতিপয় কর্মী তাকে মারধর করে গুরুতর আহত করে। পরে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে গেলে সেখানেও তাকে বাধার সম্মুখীন হতে হয় বলে অভিযোগ করা হয়। এমনকি হাসপাতালের রেজিস্টারে নাম অন্তর্ভুক্ত করতেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয় বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তীতে কর্তব্যরত চিকিৎসক রেজিস্টারে নাম অন্তর্ভুক্ত না করেই প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। জামায়াত নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, এ ধরনের ঘটনা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করছে এবং এটি “ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের প্রতিচ্ছবি” বলে তারা উল্লেখ করেন। তারা বলেন, দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা থাকলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের সহিংসতা সেই প্রত্যাশাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শিক্ষার পরিবেশ বিনষ্টকারী এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
107
মোঃ মাহবুবুর রহমান, বিশেষ প্রতিনিধি,
আড়াইহাজার সরকারি সফর আলী কলেজে এক শিবির কর্মীকে মারধর করে আহত করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা।
শনিবার (২৬ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা আমীর মুহাম্মদ মমিনুল হক সরকার এবং জেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান।
বিবৃতিতে বলা হয়, আড়াইহাজার সফর উদ্দিন ভূইয়া ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ও শিবির কর্মী তরিকুল ইসলাম কলেজে গেলে ছাত্রদলের কতিপয় কর্মী তাকে মারধর করে গুরুতর আহত করে। পরে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে গেলে সেখানেও তাকে বাধার সম্মুখীন হতে হয় বলে অভিযোগ করা হয়। এমনকি হাসপাতালের রেজিস্টারে নাম অন্তর্ভুক্ত করতেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয় বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তীতে কর্তব্যরত চিকিৎসক রেজিস্টারে নাম অন্তর্ভুক্ত না করেই প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন।
জামায়াত নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, এ ধরনের ঘটনা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করছে এবং এটি “ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের প্রতিচ্ছবি” বলে তারা উল্লেখ করেন। তারা বলেন, দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা থাকলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের সহিংসতা সেই প্রত্যাশাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শিক্ষার পরিবেশ বিনষ্টকারী এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।