বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নওগাঁয় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর কারাগারে কলম্বিয়া ওয়াশিং প্লান্ট লি: এর প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত নওগাঁয় নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু নওগাঁয় অভ্যন্তরীন বোরো ধান সংগ্রহের নামে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রাণীনগরে খাস জায়গার গাছ কাটার বিষয়ে নিরব প্রশাসন মোটরসাইকেলের সাইলেন্সের বিকট শব্দ, কিশোরের ২০ হাজার টাকা জরিমানা নওগাঁর আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার নানা সমস্যায় জর্জরিত আ.লীগ সঙ্গীদের নিয়ে কার্যালয় দখলের অভিযোগ, ছুরিকাঘাতে বিএনপি নেতা আহত মজুত থাকলেও রোগীকে স্যালাইন না দেওযায় টাকা ফেরত দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী নওগাঁয় স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিযোগীদের পুরস্কার ও বস্ত্র বিতরণ

রূপগঞ্জে বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ

  • প্রকাশিত: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬
  • ১৫১ বার পড়া হয়েছে
246

নিজস্ব প্রতিবেদক:
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে নতুন করে নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে “বীর প্রতিক গাজী উচ্চ বিদ্যালয়” নামে পরিচিত এই প্রতিষ্ঠানটির জন্য পুরোনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে “ছাত্তার জুট মিলস উচ্চ বিদ্যালয়” নাম পুনঃপ্রবর্তনের প্রস্তাব উঠেছে।
উপজেলা প্রশাসনের একাধিক সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদের সাধারণ সভায় বিষয়টি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়। সভায় উপস্থিত জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা এলাকার ইতিহাস ও জনগণের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে নাম পরিবর্তনের পক্ষে মত দেন।
আলোচনায় উঠে আসে, বিদ্যালয়টির নামের সঙ্গে স্থানীয় শিল্প-ঐতিহ্য ও অতীত স্মৃতির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সেই বিবেচনায় পূর্বের নাম পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে এলাকার পরিচিতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এছাড়াও ২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণআন্দোলনে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নামকরণের বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলার প্রস্তাব করা হয়। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের আগের নাম “ছাওয়ার জুট মিলস মন্ডল উচ্চ বিদ্যালয়”-এর ঐতিহাসিক গুরুত্বও আলোচনায় স্থান পায়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চিঠির মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে অনুমোদনের জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। চিঠিতে প্রয়োজনীয় পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো—শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, শিক্ষা বোর্ডসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছেও বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও সচেতন মহলের অনেকেই মনে করছেন, এই নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ এলাকার ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে নতুন করে তুলে ধরবে। তবে এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন না পাওয়ায় বিষয়টি বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন আশাবাদ ব্যক্ত করেছে, দ্রুতই প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পাওয়া যাবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews