একটি মর্মান্তিক পথদুর্ঘটনা কেড়ে নিল বাবা ও ছেলের প্রাণ। চিরতরের জন্য নিভে গেল একটি পরিবারের দুটি প্রদীপ।
প্রকাশিত:
শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬
১২৭
বার পড়া হয়েছে
একটি মর্মান্তিক পথদুর্ঘটনা কেড়ে নিল বাবা ও ছেলের প্রাণ। চিরতরের জন্য নিভে গেল একটি পরিবারের দুটি প্রদীপ।
আহাসানুল কবির জিনিয়াস রানা যশোর জেলা প্রতিনিধি, ১৫ মে ২০২৬ শনিবার ভোররাতে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সেপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একই সাথে প্রাণ হারিয়েছেন বাবা ইউসুফ ও ছেলে ইয়াকুব। সম্পর্কে তারা কেবল বাবা-ছেলেই ছিলেন না, জীবিকার তাগিদে চাকা ঘোরানোর লড়াইয়ে তারা ছিলেন একে অপরের সহযাত্রী—একজন ট্রাকচালক এবং অন্যজন তার হেলপার। মৃত্যুর নিষ্ঠুর থাবায় তাদের সেই যাত্রার সমাপ্তি ঘটল একসাথেই। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত যেমন তারা পাশাপাশি ছিলেন, তেমনি শেষ বিদায়ের ক্ষণেও তাদের আলাদা করা যায়নি। বাড়ির পাশে কেটে রাখা হয়েছে পাশাপাশি দুটি কবর। একই সাথে বাবা-ছেলের এই অকাল প্রস্থান এবং পাশাপাশি দুটি গোরের এই দৃশ্য যেন পাথরকেও গলিয়ে দেয়। পুরো এলাকায় এখন নেমে এসেছে শোকের ছায়া, বাতাসে ভাসছে স্বজনদের আহাজারি। এই বুকফাটা আর্তনাদ আর শূন্যতা সত্যিই সইবার নয়। ওপারে তারা ভালো থাকুন।
206
আহাসানুল কবির জিনিয়াস রানা যশোর জেলা প্রতিনিধি,
১৫ মে ২০২৬ শনিবার ভোররাতে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সেপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একই সাথে প্রাণ হারিয়েছেন বাবা ইউসুফ ও ছেলে ইয়াকুব।
সম্পর্কে তারা কেবল বাবা-ছেলেই ছিলেন না, জীবিকার তাগিদে চাকা ঘোরানোর লড়াইয়ে তারা ছিলেন একে অপরের সহযাত্রী—একজন ট্রাকচালক এবং অন্যজন তার হেলপার।
মৃত্যুর নিষ্ঠুর থাবায় তাদের সেই যাত্রার সমাপ্তি ঘটল একসাথেই। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত যেমন তারা পাশাপাশি ছিলেন, তেমনি শেষ বিদায়ের ক্ষণেও তাদের আলাদা করা যায়নি।
বাড়ির পাশে কেটে রাখা হয়েছে পাশাপাশি দুটি কবর। একই সাথে বাবা-ছেলের এই অকাল প্রস্থান এবং পাশাপাশি দুটি গোরের এই দৃশ্য যেন পাথরকেও গলিয়ে দেয়।
পুরো এলাকায় এখন নেমে এসেছে শোকের ছায়া, বাতাসে ভাসছে স্বজনদের আহাজারি। এই বুকফাটা আর্তনাদ আর শূন্যতা সত্যিই সইবার নয়। ওপারে তারা ভালো থাকুন।