বদলগাছিতে হতভাগা মিঠু হোসেন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন: খুনি আসামি মো রিফাত ঢাকা থেকে গ্রেফতার
বুলবুল আহম্মেদ নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত:
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
১৯
বার পড়া হয়েছে
বদলগাছিতে হতভাগা মিঠু হোসেন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন: খুনি আসামি মো রিফাত ঢাকা থেকে গ্রেফতার
বুলবুল আহম্মেদ নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি গত নয় এপ্রিল রাতে বদলগাছি থানা এলাকার আধাইপুর ইউনিয়নের শিমুলিয়া নামক স্থানে অজ্ঞাত পরিচয় রক্তাক্ত একটি লাশ পুলিশ পায়। অতঃপর স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতায় লাসের পরিচয় শনাক্ত হয় এবং হত্যাকাণ্ডের স্বীকার ভিকটিমের নাম মিঠু হোসেন (৪৩)৷ সাং বৈকন্ঠপুর বদলগাছি পাওয়া যায় । ভিকটিমের ডানকানের নিচে, ঘাড়ে, পিঠে ধারালো অস্ত্র দ্বারা পরিকল্পিতভাবে উপর্যুপরি আঘাতের চিহ্ন ছিল। এ সংক্রান্ত বদলগাছি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়। ঘটনার পরপরই পুলিশ সুপার নওগাঁ, মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম হত্যাকারীকে গ্রেফতার করার জন্য বদলগাছি থানা, জেলা গোয়েন্দা শাখা এবং আইসিটি এক্সপার্টদের সমন্বয়ে বিশেষ টিম গঠন করা হয়। স্থানীয় জনসাধারণের সহায়তা, তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্লেষণ এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, আশুলিয়া থানা ঢাকার সহায়তায় নওগাঁ জেলা পুলিশের বিশেষ টিম হত্যাকারী সন্ধিগ্ধ আসামী মোঃ রিফাত হোসেনকে ঢাকার আশুলিয়া থানাধীন কুড়গা এলাকা থেকে ১৪ এপ্রিল ভোর রাতে গ্রেফতার করে। অতঃপর আসামি কে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং পুলিশ সুপার নিজেও আসামিকে তার কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি রিফাত পুলিশের নিকট জানান যে, গত ৯ এপ্রিল আনুমানিক রাত ৯-১০ ঘটিকার মধ্যে আসামি রিফাত এবং ভিকটিম মিঠু একই ভ্যানে যাচ্ছিল। ভিকটিম ভ্যান চালাচ্ছিল এবং আসামি রিফাত ভ্যানের পিছনে বসা ছিল। পূর্ব শত্রুতার জেরে ভিকটিম মিঠুর সাথে আসামী রিফাতের কথা কাটাকাটি হয়, একপর্যায়ে আসামি রিফাত ভিকটিম মিঠুকে ভ্যান থেকে ফেলে ভিকটিমের পিছনে ডানকানের নিচে, ঘাড়ে, পিঠে উপর্যপুরি ছুরিকাহত করে ফেলে চলে যায় । পরবর্তীতে আসামি বদলগাছি থেকে নওগাঁ হয়ে রাজশাহী যায় এবং ঢাকায় আত্মগোপন করে। ভিকটিমকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন জেলা পুলিশ নওগাঁ দ্রুততম সময়ের মধ্যে মিঠু হোসেন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে। নওগাঁ জেলা পুলিশ যেকোনো অপরাধ দমন এবং অপরাধের রহস্য উদঘাটনে তৎপর রয়েছে।
37
বুলবুল আহম্মেদ নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
গত নয় এপ্রিল রাতে বদলগাছি থানা এলাকার আধাইপুর ইউনিয়নের শিমুলিয়া নামক স্থানে অজ্ঞাত পরিচয় রক্তাক্ত একটি লাশ পুলিশ পায়। অতঃপর স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতায় লাসের পরিচয় শনাক্ত হয় এবং হত্যাকাণ্ডের স্বীকার ভিকটিমের নাম মিঠু হোসেন (৪৩)৷ সাং বৈকন্ঠপুর বদলগাছি পাওয়া যায় । ভিকটিমের ডানকানের নিচে, ঘাড়ে, পিঠে ধারালো অস্ত্র দ্বারা পরিকল্পিতভাবে উপর্যুপরি আঘাতের চিহ্ন ছিল।
এ সংক্রান্ত বদলগাছি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়। ঘটনার পরপরই পুলিশ সুপার নওগাঁ, মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম হত্যাকারীকে গ্রেফতার করার জন্য বদলগাছি থানা, জেলা গোয়েন্দা শাখা এবং আইসিটি এক্সপার্টদের সমন্বয়ে বিশেষ টিম গঠন করা হয়। স্থানীয় জনসাধারণের সহায়তা, তথ্যপ্রযুক্তির বিশ্লেষণ এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, আশুলিয়া থানা ঢাকার সহায়তায় নওগাঁ জেলা পুলিশের বিশেষ টিম হত্যাকারী সন্ধিগ্ধ আসামী মোঃ রিফাত হোসেনকে ঢাকার আশুলিয়া থানাধীন কুড়গা এলাকা থেকে ১৪ এপ্রিল ভোর রাতে গ্রেফতার করে। অতঃপর আসামি কে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং পুলিশ সুপার নিজেও আসামিকে তার কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি রিফাত পুলিশের নিকট জানান যে, গত ৯ এপ্রিল আনুমানিক রাত ৯-১০ ঘটিকার মধ্যে আসামি রিফাত এবং ভিকটিম মিঠু একই ভ্যানে যাচ্ছিল। ভিকটিম ভ্যান চালাচ্ছিল এবং আসামি রিফাত ভ্যানের পিছনে বসা ছিল। পূর্ব শত্রুতার জেরে ভিকটিম মিঠুর সাথে আসামী রিফাতের কথা কাটাকাটি হয়, একপর্যায়ে আসামি রিফাত ভিকটিম মিঠুকে ভ্যান থেকে ফেলে ভিকটিমের পিছনে ডানকানের নিচে, ঘাড়ে, পিঠে উপর্যপুরি ছুরিকাহত করে ফেলে চলে যায় । পরবর্তীতে আসামি বদলগাছি থেকে নওগাঁ হয়ে রাজশাহী যায় এবং ঢাকায় আত্মগোপন করে। ভিকটিমকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন জেলা পুলিশ নওগাঁ দ্রুততম সময়ের মধ্যে মিঠু হোসেন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে। নওগাঁ জেলা পুলিশ যেকোনো অপরাধ দমন এবং অপরাধের রহস্য উদঘাটনে তৎপর রয়েছে।