ডিসিবি নিউজ ডেক্স পবিত্র রমজান মাসে অনেকের মনে একটি সাধারণ প্রশ্ন জাগে—স্বামী-স্ত্রীর সহবাসের পর যদি ফরজ গোসল করা না হয়, তাহলে কি সেহেরি খাওয়া যাবে? এতে কি রোজার কোনো ক্ষতি হবে? ইসলামি শরিয়তের আলোকে আলেমদের বক্তব্য অনুযায়ী, ফরজ গোসল না করেও সেহেরি খাওয়া বৈধ এবং এতে রোজার কোনো ক্ষতি হয় না। তবে ফজরের নামাজের আগে অবশ্যই গোসল করে পবিত্র হয়ে নিতে হবে। --কুসংস্কার নয়, সহিহ জ্ঞান প্রয়োজন-- আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে—গোসল ফরজ হওয়ার পর গোসল না করা পর্যন্ত রান্না করা যাবে না, সংসারের কাজ করা যাবে না ইত্যাদি। আলেমরা বলছেন, এসবের কোনো ভিত্তি ইসলামে নেই; এগুলো কুসংস্কার মাত্র। হাদিসে বর্ণিত আছে, Muhammad (সা.) বলেছেন, যখন কারও ওপর গোসল ফরজ হয়, তখন সময় বিলম্ব না করে দ্রুত গোসল করা উত্তম। অর্থাৎ বিলম্ব না করে পবিত্র হয়ে নেওয়াই শ্রেয়, তবে কোনো কারণে দেরি হলে রোজা নষ্ট হয় না। --নামাজ আদায়ের গুরুত্ব-- আলেমরা আরও বলেন, শুধু রোজা রাখলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, তারাবিহ এবং কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমেই রোজার পূর্ণতা আসে। অনেকেই রোজা রাখলেও নামাজে অবহেলা করেন—যা কাম্য নয়। রমজান মাসে ইবাদতে যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আলেমরা বলেন, সঠিক জ্ঞান অর্জন করে আমল করা উচিত। কারণ, অজ্ঞতার কারণে ভুল ধারণা তৈরি হলে ইবাদতে বিভ্রান্তি দেখা দিতে পারে। --সংক্ষেপে সিদ্ধান্ত-- ফরজ গোসল না করেও সেহেরি খাওয়া যাবে এবং রোজা সহিহ হবে। তবে ফজরের নামাজের আগে অবশ্যই গোসল করে পবিত্র হয়ে নিতে হবে।
52
ডিসিবি নিউজ ডেক্স
পবিত্র রমজান মাসে অনেকের মনে একটি সাধারণ প্রশ্ন জাগে—স্বামী-স্ত্রীর সহবাসের পর যদি ফরজ গোসল করা না হয়, তাহলে কি সেহেরি খাওয়া যাবে? এতে কি রোজার কোনো ক্ষতি হবে?
ইসলামি শরিয়তের আলোকে আলেমদের বক্তব্য অনুযায়ী, ফরজ গোসল না করেও সেহেরি খাওয়া বৈধ এবং এতে রোজার কোনো ক্ষতি হয় না। তবে ফজরের নামাজের আগে অবশ্যই গোসল করে পবিত্র হয়ে নিতে হবে।
–কুসংস্কার নয়, সহিহ জ্ঞান প্রয়োজন–
আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে—গোসল ফরজ হওয়ার পর গোসল না করা পর্যন্ত রান্না করা যাবে না, সংসারের কাজ করা যাবে না ইত্যাদি। আলেমরা বলছেন, এসবের কোনো ভিত্তি ইসলামে নেই; এগুলো কুসংস্কার মাত্র।
হাদিসে বর্ণিত আছে, Muhammad (সা.) বলেছেন, যখন কারও ওপর গোসল ফরজ হয়, তখন সময় বিলম্ব না করে দ্রুত গোসল করা উত্তম। অর্থাৎ বিলম্ব না করে পবিত্র হয়ে নেওয়াই শ্রেয়, তবে কোনো কারণে দেরি হলে রোজা নষ্ট হয় না।
–নামাজ আদায়ের গুরুত্ব–
আলেমরা আরও বলেন, শুধু রোজা রাখলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, তারাবিহ এবং কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমেই রোজার পূর্ণতা আসে। অনেকেই রোজা রাখলেও নামাজে অবহেলা করেন—যা কাম্য নয়।
রমজান মাসে ইবাদতে যত্নবান হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আলেমরা বলেন, সঠিক জ্ঞান অর্জন করে আমল করা উচিত। কারণ, অজ্ঞতার কারণে ভুল ধারণা তৈরি হলে ইবাদতে বিভ্রান্তি দেখা দিতে পারে।
–সংক্ষেপে সিদ্ধান্ত–
ফরজ গোসল না করেও সেহেরি খাওয়া যাবে এবং রোজা সহিহ হবে। তবে ফজরের নামাজের আগে অবশ্যই গোসল করে পবিত্র হয়ে নিতে হবে।