রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নওগাঁয় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর কারাগারে কলম্বিয়া ওয়াশিং প্লান্ট লি: এর প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত নওগাঁয় নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু নওগাঁয় অভ্যন্তরীন বোরো ধান সংগ্রহের নামে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রাণীনগরে খাস জায়গার গাছ কাটার বিষয়ে নিরব প্রশাসন মোটরসাইকেলের সাইলেন্সের বিকট শব্দ, কিশোরের ২০ হাজার টাকা জরিমানা নওগাঁর আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার নানা সমস্যায় জর্জরিত আ.লীগ সঙ্গীদের নিয়ে কার্যালয় দখলের অভিযোগ, ছুরিকাঘাতে বিএনপি নেতা আহত মজুত থাকলেও রোগীকে স্যালাইন না দেওযায় টাকা ফেরত দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী নওগাঁয় স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিযোগীদের পুরস্কার ও বস্ত্র বিতরণ

বদলগাছীর মুক্তার প্রতিবন্ধী ভাতার টাকার রহস্য উন্মোচন! নিয়মিত ভাতার টাকা পেতেন মুক্তা ! দাবি পরিবারের সদস্যর ! !

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২৭৪ বার পড়া হয়েছে
345

বদলগাছী উপজেলা প্রতিনিধি

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নে প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা আত্মসাৎ এমন অভিযোগে স্থানীয় এক মহিলা ইউপি সদস্য ও তার স্বামী, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানকে জড়িয়ে সম্প্রতি বেশ কয়েকটি জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। তবে ঘটনাস্থলে অনুসন্ধানে দেখা যায়, অভিযোগের সঙ্গে বাস্তবতার তেমন কোন মিল নেই। ভাতাভোগী প্রতিবন্ধী নারী মুক্তা ও তার পরিবার অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।

ভাতাভোগী মুক্তার পরিবার বলছে সময়মতো টাকা পেয়েছি ।

পাহাড়পুর ইউনিয়নের পাঁচঘরিয়া গ্রামের ৪০ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী নারী মুক্তা জানান, ভাতা হওয়ার সময় তার নিজের মোবাইল ফোন ছিল না। সে কারণে পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ করে স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্য তহমিনার পরিবারের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটি ভাতার কার্ডে যুক্ত করা হয়।

১লা জানুয়ারি ২০২৪ হইতে মুক্তার নামে প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড অনুমোদনের পর থেকে ঐ নম্বরেই টাকা ঢুকতো। ইউপি সদস্য তহমিনা একাধিকবার মুক্তার ভাতার টাকা উত্তোলন করে নিয়মিত তার হাতে পৌঁছে দেন।

পরে মুক্তা নিজস্ব মোবাইল ফোন কেনার পর তহমিনার মাধ্যমেই নতুন মোবাইল নাম্বার ভাতার কার্ডে পরিবর্তন করা হয়। এরপর থেকে টাকা সরাসরি মুক্তার নিজের মোবাইলে আসে, এবং তিনি পরিবারের সদস্যদের সাহায্যে নিয়মিত তা উত্তোলন করছেন।

মুক্তার শ্বাশুড়ি বলেন,
আমাদের ফোন না থাকায় আমরা-ই মেম্বারকে বলেছি তাদের নম্বরটা দিতে। মেম্বার কোনো টাকা খায় নাই। সময়মতো হাতে পাইছি। এ ধরণের কথা পেপারে কেন তারা লিখছে আমরা বুঝতে পারছি না ।

এই বিষয়ে মহিলা ইউপি সদস্য তহমিনা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন,
মুক্তার অনুরোধেই আমার পরিবারের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছিল। ভাতার টাকা এলে আমি নিয়মিত তাকে তুলে দিতাম। পরে সে মোবাইল কেনার পর তার নতুন নম্বর ভাতার কার্ডে যুক্ত করে দিয়েছি। কিছু ব্যক্তি আমাদের সামাজিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ করিয়েছে।

তার স্বামী প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশের পর তারা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বলে জানান।

এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও নেটওয়ার্ক সমস্যার কারণে তার মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

মুক্তা ও তার পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী,ভাতার টাকা নিয়মিত পাওয়ার পরও কারো দেওয়া ভুল তথ্যে শুনে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে জানান ভাতাভোগী পরিবার ও মহিলা মেম্বারের পরিবারের সদস্যরা ।

ভাতাভোগী পরিবার এবং স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্য বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে সঠিক তথ্য তুলে ধরার অনুরোধ জানিয়েছেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews