শিক্ষক লাপাত্তা, ফ্যাসিষ্টের আলামত সযত্নে সংরক্ষণ আর খেয়ালখুশিমতো ছুটির রাজত্ব চলছে কাঠালিয়ার সোনাউটা বিদ্যালয়ে
প্রকাশিত:
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬
৫৮
বার পড়া হয়েছে
শিক্ষক লাপাত্তা, ফ্যাসিষ্টের আলামত সযত্নে সংরক্ষণ আর খেয়ালখুশিমতো ছুটির রাজত্ব চলছে কাঠালিয়ার সোনাউটা বিদ্যালয়ে
এইচ এম শুভ জেলা প্রতিনিধি ঝালকাঠি ঝালকাঠীর কাঠালিয়া উপজেলার সোনাউটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের স্বেচ্ছাচারিতা, খেয়ালখুশিমতো প্রতিষ্ঠান পরিচালনা এবং নানা অনিয়মের চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। জমিদাতা পরিবারের সদস্য হওয়ায় প্রধান শিক্ষক নিজের ইচ্ছামতো স্কুল পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এমনকি বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়েও স্কুলটিতে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের বিভিন্ন চিহ্ন ও আলামত সগৌরবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে বলে প্রমাণ মিলেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, বিদ্যালয়টিতে ৬ জন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও পরিদর্শনের সময় ৩ জন শিক্ষকই অনুপস্থিত ছিলেন। প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে প্রধান শিক্ষক নিজের খেয়ালখুশিমতো কখনো কোনো শিক্ষার্থীকে, আবার কখনো পুরো স্কুলই মৌখিক ছুটিতে বন্ধ করে দেন। শিক্ষা আইনের তোয়াক্কা না করে এমন খামখেয়ালি চলায় মারাত্মক বিঘ্নিত হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা। বিদ্যালয়টিতে সরকারের পক্ষ থেকে বরাদ্দকৃত স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার ও উপকরণ বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। শিশুদের প্রাপ্য পুষ্টির খাবার নয়ছয় করা হচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা। অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো সদুত্তর না দিয়ে তার স্বামী ও জমিদাতা পরিবারের সদস্য মনিরুজ্জামানকে সামনে নিয়ে আসেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মনিরুজ্জামান ঔদ্ধত্যপূর্ণ মন্তব্য করে বলেন, প্রধান শিক্ষক চাইলে যখন-তখন স্কুল ছুটি দিতেই পারেন, এটা তার ব্যক্তিগত ইচ্ছে। এ সময় তিনি আরও বিতর্কিত মন্তব্য করে বলেন, "এটা বিএনপির স্কুল।" স্থানীয়দের অভিযোগ, জমিদাতা পরিবারের এই প্রভাব আর রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তির কারণেই সোনাউটা প্রাথমিক বিদ্যালয়টি আজ জিম্মি হয়ে পড়েছে। সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের দেয়াল, আলমারি এবং বুকশেল্ফে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের বিভিন্ন প্রচারণার চিহ্ন ও আলামত এখনো সযত্নে সংরক্ষিত রয়েছে, যা আইন ও বিধির সম্পূর্ণ পরিপন্থী। এ বিষয়ে কাঠালিয়া উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা কিং ফয়সাল-এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে স্কুলের কোথাও ফ্যাসিস্ট সরকারের কোনো আলামত বা চিহ্ন থাকার কথা নয়; এগুলো ইতিমধ্যে অপসারণের নির্দেশনা রয়েছে। মৌখিক ছুটির বিষয়ে তিনি বলেন, বিশেষ মানবিক কারণে দু-একজনকে মৌখিক ছুটি দেওয়া যেতে পারে, তবে একসাথে এত শিক্ষার্থী বা পুরো স্কুলকে এভাবে ছুটি দেওয়ার কোনো বিধান নেই। এছাড়া স্কুলের শিক্ষক অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে কঠোর হুশিয়ারি দিয়ে তিনি জানান, বিষয়টি তদন্ত করে সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
122
এইচ এম শুভ জেলা প্রতিনিধি ঝালকাঠি
ঝালকাঠীর কাঠালিয়া উপজেলার সোনাউটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের স্বেচ্ছাচারিতা, খেয়ালখুশিমতো প্রতিষ্ঠান পরিচালনা এবং নানা অনিয়মের চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। জমিদাতা পরিবারের সদস্য হওয়ায় প্রধান শিক্ষক নিজের ইচ্ছামতো স্কুল পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এমনকি বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়েও স্কুলটিতে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের বিভিন্ন চিহ্ন ও আলামত সগৌরবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে বলে প্রমাণ মিলেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, বিদ্যালয়টিতে ৬ জন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও পরিদর্শনের সময় ৩ জন শিক্ষকই অনুপস্থিত ছিলেন। প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে প্রধান শিক্ষক নিজের খেয়ালখুশিমতো কখনো কোনো শিক্ষার্থীকে, আবার কখনো পুরো স্কুলই মৌখিক ছুটিতে বন্ধ করে দেন। শিক্ষা আইনের তোয়াক্কা না করে এমন খামখেয়ালি চলায় মারাত্মক বিঘ্নিত হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা।
বিদ্যালয়টিতে সরকারের পক্ষ থেকে বরাদ্দকৃত স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার ও উপকরণ বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। শিশুদের প্রাপ্য পুষ্টির খাবার নয়ছয় করা হচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা।
অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো সদুত্তর না দিয়ে তার স্বামী ও জমিদাতা পরিবারের সদস্য মনিরুজ্জামানকে সামনে নিয়ে আসেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মনিরুজ্জামান ঔদ্ধত্যপূর্ণ মন্তব্য করে বলেন, প্রধান শিক্ষক চাইলে যখন-তখন স্কুল ছুটি দিতেই পারেন, এটা তার ব্যক্তিগত ইচ্ছে। এ সময় তিনি আরও বিতর্কিত মন্তব্য করে বলেন, “এটা বিএনপির স্কুল।” স্থানীয়দের অভিযোগ, জমিদাতা পরিবারের এই প্রভাব আর রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তির কারণেই সোনাউটা প্রাথমিক বিদ্যালয়টি আজ জিম্মি হয়ে পড়েছে।
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের দেয়াল, আলমারি এবং বুকশেল্ফে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের বিভিন্ন প্রচারণার চিহ্ন ও আলামত এখনো সযত্নে সংরক্ষিত রয়েছে, যা আইন ও বিধির সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
এ বিষয়ে কাঠালিয়া উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা কিং ফয়সাল-এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে স্কুলের কোথাও ফ্যাসিস্ট সরকারের কোনো আলামত বা চিহ্ন থাকার কথা নয়; এগুলো ইতিমধ্যে অপসারণের নির্দেশনা রয়েছে। মৌখিক ছুটির বিষয়ে তিনি বলেন, বিশেষ মানবিক কারণে দু-একজনকে মৌখিক ছুটি দেওয়া যেতে পারে, তবে একসাথে এত শিক্ষার্থী বা পুরো স্কুলকে এভাবে ছুটি দেওয়ার কোনো বিধান নেই। এছাড়া স্কুলের শিক্ষক অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে কঠোর হুশিয়ারি দিয়ে তিনি জানান, বিষয়টি তদন্ত করে সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেওয়া হবে।