এইচ এম শুভ ঝালকাঠি প্রতিনিধি ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনে-রাতে ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিংয়ের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীরা। পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে রাজাপুরের বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১০ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ মিলছে মাত্র ৩ দশমিক ৫ মেগাওয়াট। ফলে প্রায় ৬৫ শতাংশ এলাকায় লোডশেডিং করতে হচ্ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর চাহিদা বাড়লেও সরবরাহ না বাড়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ আকার ধারণ করছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় গ্রিডে লো ফ্রিকোয়েন্সি দেখা দেওয়ায় ন্যাশনাল লোড ডিসপ্যাচ সেন্টার (এনএলডিসি) স্ক্যাডা অপারেশনের মাধ্যমে বারবার ফিডার বন্ধ করে লোড ম্যানেজমেন্ট করছে। বুধবার সকাল থেকে অন্তত চারবার ৩৩ কেভি ফিডার বন্ধ করা হয়েছে। সর্বশেষ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আবারও একটি ফিডার বন্ধ করা হয়। বর্তমানে উপজেলার ৭টি ১১ কেভি ফিডারের মধ্যে মাত্র ২টি চালু রয়েছে, বাকি ৫টি বন্ধ রাখা হয়েছে। এভাবে পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বলে জানায় বিদ্যুৎ বিভাগ। এদিকে, হঠাৎ হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন বাসিন্দারা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিদ্যুৎ সংকটে তাদের ব্যবসায় মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। শিক্ষার্থীরাও পড়ালেখায় ব্যাঘাতের অভিযোগ করেছেন।
21
এইচ এম শুভ ঝালকাঠি প্রতিনিধি
ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনে-রাতে ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিংয়ের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীরা। পল্লী
বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে রাজাপুরের বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১০ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ মিলছে মাত্র ৩ দশমিক ৫ মেগাওয়াট। ফলে প্রায় ৬৫ শতাংশ এলাকায় লোডশেডিং করতে হচ্ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর চাহিদা বাড়লেও সরবরাহ না বাড়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ আকার ধারণ করছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় গ্রিডে লো ফ্রিকোয়েন্সি দেখা দেওয়ায় ন্যাশনাল লোড ডিসপ্যাচ সেন্টার (এনএলডিসি) স্ক্যাডা অপারেশনের মাধ্যমে বারবার ফিডার বন্ধ করে লোড ম্যানেজমেন্ট করছে। বুধবার সকাল থেকে অন্তত চারবার ৩৩ কেভি ফিডার বন্ধ করা হয়েছে। সর্বশেষ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আবারও একটি ফিডার বন্ধ করা হয়।
বর্তমানে উপজেলার ৭টি ১১ কেভি ফিডারের মধ্যে মাত্র ২টি চালু রয়েছে, বাকি ৫টি বন্ধ রাখা হয়েছে। এভাবে পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বলে জানায় বিদ্যুৎ বিভাগ।
এদিকে, হঠাৎ হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন বাসিন্দারা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিদ্যুৎ সংকটে তাদের ব্যবসায় মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। শিক্ষার্থীরাও পড়ালেখায় ব্যাঘাতের অভিযোগ করেছেন।