নাটোরের বাগাতিপাড়ায় অনুমতিহীন মেলা বন্ধ: প্রভাব উপেক্ষা করে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান, স্বস্তি ফিরেছে এলাকায়
নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রকাশিত:
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
১৬
বার পড়া হয়েছে
নাটোরের বাগাতিপাড়ায় অনুমতিহীন মেলা বন্ধ: প্রভাব উপেক্ষা করে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান, স্বস্তি ফিরেছে এলাকায়
নিজস্ব প্রতিবেদক: নাটোরের বাগাতিপাড়া থানাধীন জামনগর ইউনিয়নের ডাকরমারি ও দেবনাগর এলাকায় আজ অনুষ্ঠিত একটি সম্পূর্ণ অবৈধ ও অনুমতিহীন মেলাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট চরম জনভোগান্তির অবসান ঘটিয়েছে প্রশাসন। ‘সন্ন্যাসী’ নামক একটি মাজারকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই মেলায় প্রশাসনের কোনো প্রকার অনুমোদন ছাড়াই দিনভর এবং গভীর রাত পর্যন্ত উচ্চ শব্দে মাইক ও অতিরিক্ত বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করে বেপরোয়া গান-বাজনা চলছিল, যা ছিল সরাসরি আইন লঙ্ঘনের শামিল। এতে করে স্থানীয় বাসিন্দারা, বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও শিশু-কিশোররা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছিল। তাদের পড়াশোনা কার্যত ভেঙে পড়ে এবং শব্দদূষণের মাত্রা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছে যায়। একই সঙ্গে মেলার আশেপাশে প্রকাশ্যে মাদকসেবনের অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তোলে। অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার ও জ্বালানি তেলের অপচয় জাতীয় সম্পদের চরম অপব্যবহার হিসেবে দেখা দিয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অভিযোগ অনুযায়ী, মেলাটি স্থানীয় বিএনপি নেতাদের প্রত্যক্ষ উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছিল এবং জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এবং জামনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান স্থানীয় বিএনপি নেতাদের পাশাপাশি মেলা কমিটির সভাপতি মধুকে এ আয়োজনের জন্য মৌখিক অনুমতি প্রদান করেছিলেন। অথচ আইন অনুযায়ী এ ধরনের আয়োজনের জন্য প্রশাসনিক অনুমোদন বাধ্যতামূলক, যা সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে। আরও অভিযোগ রয়েছে, মেলাটি চালু রাখার জন্য প্রভাবশালী মহল থেকে প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়। তবে সব ধরনের চাপ ও প্রভাবকে দৃঢ়ভাবে উপেক্ষা করে বাগাতিপাড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করে একই দিনেই মেলাটি বন্ধ করে দেন, যা প্রশাসনের দায়িত্বশীলতা ও আইনের প্রতি অটল অবস্থানের স্পষ্ট প্রমাণ। প্রশাসনের এই কঠোর ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপ এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে এবং সর্বস্তরে প্রশংসিত হয়েছে। সচেতন মহল মনে করছে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও অনিয়ম দমনে এ ধরনের দৃঢ় অবস্থানই হওয়া উচিত দৃষ্টান্ত। এলাকাবাসীর জোর দাবি—ভবিষ্যতে যেন কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী প্রভাব খাটিয়ে এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে না পারে, সে জন্য প্রশাসনকে আরও কঠোর নজরদারি ও আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
30
নিজস্ব প্রতিবেদক:
নাটোরের বাগাতিপাড়া থানাধীন জামনগর ইউনিয়নের ডাকরমারি ও দেবনাগর এলাকায় আজ অনুষ্ঠিত একটি সম্পূর্ণ অবৈধ ও অনুমতিহীন মেলাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট চরম জনভোগান্তির অবসান ঘটিয়েছে প্রশাসন। ‘সন্ন্যাসী’ নামক একটি মাজারকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই মেলায় প্রশাসনের কোনো প্রকার অনুমোদন ছাড়াই দিনভর এবং গভীর রাত পর্যন্ত উচ্চ শব্দে মাইক ও অতিরিক্ত বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করে বেপরোয়া গান-বাজনা চলছিল, যা ছিল সরাসরি আইন লঙ্ঘনের শামিল।
এতে করে স্থানীয় বাসিন্দারা, বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও শিশু-কিশোররা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছিল। তাদের পড়াশোনা কার্যত ভেঙে পড়ে এবং শব্দদূষণের মাত্রা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছে যায়। একই সঙ্গে মেলার আশেপাশে প্রকাশ্যে মাদকসেবনের অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তোলে। অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার ও জ্বালানি তেলের অপচয় জাতীয় সম্পদের চরম অপব্যবহার হিসেবে দেখা দিয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, মেলাটি স্থানীয় বিএনপি নেতাদের প্রত্যক্ষ উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছিল এবং জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এবং জামনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান স্থানীয় বিএনপি নেতাদের পাশাপাশি মেলা কমিটির সভাপতি মধুকে এ আয়োজনের জন্য মৌখিক অনুমতি প্রদান করেছিলেন। অথচ আইন অনুযায়ী এ ধরনের আয়োজনের জন্য প্রশাসনিক অনুমোদন বাধ্যতামূলক, যা সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে।
আরও অভিযোগ রয়েছে, মেলাটি চালু রাখার জন্য প্রভাবশালী মহল থেকে প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়। তবে সব ধরনের চাপ ও প্রভাবকে দৃঢ়ভাবে উপেক্ষা করে বাগাতিপাড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করে একই দিনেই মেলাটি বন্ধ করে দেন, যা প্রশাসনের দায়িত্বশীলতা ও আইনের প্রতি অটল অবস্থানের স্পষ্ট প্রমাণ।
প্রশাসনের এই কঠোর ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপ এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে এবং সর্বস্তরে প্রশংসিত হয়েছে। সচেতন মহল মনে করছে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও অনিয়ম দমনে এ ধরনের দৃঢ় অবস্থানই হওয়া উচিত দৃষ্টান্ত।
এলাকাবাসীর জোর দাবি—ভবিষ্যতে যেন কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী প্রভাব খাটিয়ে এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে না পারে, সে জন্য প্রশাসনকে আরও কঠোর নজরদারি ও আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।