নওগাঁয় চাঞ্চল্যকর মিতু হ’ত্যা’র রহস্য উদঘাটন, আ’ট’ক ৪
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি শামীম আনসারী
প্রকাশিত:
বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬
৯৩
বার পড়া হয়েছে
নওগাঁয় চাঞ্চল্যকর মিতু হ’ত্যা’র রহস্য উদঘাটন, আ’ট’ক ৪
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি শামীম আনসারী নওগাঁয় চাঞ্চল্যকর মিতু বানু হত্যার ৪০ দিন পর রহস্য উদঘাটনসহ চার যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত তিনদিনে শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম পুলিশের মিডিয়া সেলে এ তথ্য জানান। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- নওগাঁ সদর উপজেলার জাহান আলী, সামিদুল, সুজ্জাত ও রেন্টু ইসলাম। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, গত ২৫ জানুয়ারি রাতে জাহান আলী নামে এক ব্যক্তি নওগাঁ সদর উপজেলার বিল ভবানীপুর গ্রামের মনতাসুরকে ফোনে জানায় তার বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে একটি লাশ আছে। পরদিন সকাল ১০ টার দিকে অজ্ঞাত ওই যুবতির লাশ উদ্ধার করা হয়। কয়েক ঘন্টার মধ্যে লাশের পরিচয় সনাক্ত করে মিতু বানু নামে এবং তিনি শহরের বাসীন্দা। ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়। বিষয়টি তদন্ত গভীরভাবে করার জন্য পুলিশ সুপার ক্রাইম এবং সদর থানার অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর ব্যবহার, তথ্য প্রযুক্তি বিশ্লেষণ এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৭ মার্চ জাহান আলীকে গ্রেফতার করা হয়। বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ৯ মার্চ আসামি সামিদুল ও সুজ্জাত এবং মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রেন্টু ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়- আসামি সামিদুল ও জাহান ১২ হাজার টাকায় মিতু বানুকে চুক্তি করে নওগাঁ শহর হতে বিল ভবানী গ্রামে নিয়ে যায়। ওই গ্রামের মালা নামে এক ব্যক্তির পরিত্যাক্ত বাড়িতে জাহান আলী, রিটু, সুজ্জাত, সামিদুল ও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন অসামাজিক কাজের জন্য সেখানে যায় । পরবর্তীতে তাদের মধ্যে টাকা-পয়সার লেনদেন নিয়ে ঝামেলা হলে ভিকটিম মিতু চিৎকার করে। সম্মানের ভয়ে আসামী রেন্টু তার মুখ ও গলা চেপে ধরে, বাকি আসামিরা কেউ হাত-পা ধরে। কিছুক্ষণ পর মিতু মারা গেলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। আসামী রেন্টুর পরামর্শে ওই গ্রামের মনতাসুর এর বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকের মধ্যে লাশ ঢুকিয়ে গোপন করে রাখে। পরবর্তীতে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আসামীদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। জেলায় যেকোনো ধরনের অপরাধের রহস্য উদঘাটন এবং আসামি গ্রেফতারের তৎপর রয়েছে জানান পুলিশ সুপার
141
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি শামীম আনসারী
নওগাঁয় চাঞ্চল্যকর মিতু বানু হত্যার ৪০ দিন পর রহস্য উদঘাটনসহ চার যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত তিনদিনে শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম পুলিশের মিডিয়া সেলে এ তথ্য জানান।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- নওগাঁ সদর উপজেলার জাহান আলী, সামিদুল, সুজ্জাত ও রেন্টু ইসলাম।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, গত ২৫ জানুয়ারি রাতে জাহান আলী নামে এক ব্যক্তি নওগাঁ সদর উপজেলার বিল ভবানীপুর গ্রামের মনতাসুরকে ফোনে জানায় তার বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকে একটি লাশ আছে। পরদিন সকাল ১০ টার দিকে অজ্ঞাত ওই যুবতির লাশ উদ্ধার করা হয়। কয়েক ঘন্টার মধ্যে লাশের পরিচয় সনাক্ত করে মিতু বানু নামে এবং তিনি শহরের বাসীন্দা। ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়।
বিষয়টি তদন্ত গভীরভাবে করার জন্য পুলিশ সুপার ক্রাইম এবং সদর থানার অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর ব্যবহার, তথ্য প্রযুক্তি বিশ্লেষণ এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৭ মার্চ জাহান আলীকে গ্রেফতার করা হয়। বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ৯ মার্চ আসামি সামিদুল ও সুজ্জাত এবং মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রেন্টু ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।
তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়- আসামি সামিদুল ও জাহান ১২ হাজার টাকায় মিতু বানুকে চুক্তি করে নওগাঁ শহর হতে বিল ভবানী গ্রামে নিয়ে যায়। ওই গ্রামের মালা নামে এক ব্যক্তির পরিত্যাক্ত বাড়িতে জাহান আলী, রিটু, সুজ্জাত, সামিদুল ও অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন অসামাজিক কাজের জন্য সেখানে যায় । পরবর্তীতে তাদের মধ্যে টাকা-পয়সার লেনদেন নিয়ে ঝামেলা হলে ভিকটিম মিতু চিৎকার করে। সম্মানের ভয়ে আসামী রেন্টু তার মুখ ও গলা চেপে ধরে, বাকি আসামিরা কেউ হাত-পা ধরে। কিছুক্ষণ পর মিতু মারা গেলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। আসামী রেন্টুর পরামর্শে ওই গ্রামের মনতাসুর এর বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকের মধ্যে লাশ ঢুকিয়ে গোপন করে রাখে। পরবর্তীতে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আসামীদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
জেলায় যেকোনো ধরনের অপরাধের রহস্য উদঘাটন এবং আসামি গ্রেফতারের তৎপর রয়েছে জানান পুলিশ সুপার