শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নওগাঁয় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর কারাগারে কলম্বিয়া ওয়াশিং প্লান্ট লি: এর প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত নওগাঁয় নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু নওগাঁয় অভ্যন্তরীন বোরো ধান সংগ্রহের নামে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রাণীনগরে খাস জায়গার গাছ কাটার বিষয়ে নিরব প্রশাসন মোটরসাইকেলের সাইলেন্সের বিকট শব্দ, কিশোরের ২০ হাজার টাকা জরিমানা নওগাঁর আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার নানা সমস্যায় জর্জরিত আ.লীগ সঙ্গীদের নিয়ে কার্যালয় দখলের অভিযোগ, ছুরিকাঘাতে বিএনপি নেতা আহত মজুত থাকলেও রোগীকে স্যালাইন না দেওযায় টাকা ফেরত দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী নওগাঁয় স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিযোগীদের পুরস্কার ও বস্ত্র বিতরণ

নওগাঁয় কৃষক রক্ষায় পর্যাপ্ত হিমাগার স্থাপন ও ভর্তুকি বাড়ানোর পরামর্শ বাসদের

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬
  • ১৯৯ বার পড়া হয়েছে
294

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি শামীম আনসারী

নওগাঁয় সমাজতান্ত্রিক ক্ষেত মজুর ও কৃষক ফ্রন্টের প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে নওগাঁ শহরের চকদেব কলেজপাড়ায় বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) অফিসে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিনিধি সভায় মঙ্গল কিসকুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক ক্ষেত মজুর ও কৃষক ফ্রন্টের সহ সভাপতি কমরেড ওয়াজেদ পারভেজ, জয়নাল আবেদীন মুকুল, সাধারন সম্পাদক কমরেড আব্দুল কুদ্দুস।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, রবিউল টুডু, স্বপন মন্ডল, জোৎস্না পাহান, ফারুক হোসেন, নীলিমা কর্মকার, অমল মহন্ত, ভদলু লাকড়াসহ প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, সার, বীজ ও কীটনাশকসহ কৃষি উপকরণের দাম বেশী, বিক্রি করতে গেলে দাম কম। আলু চাষিরা আলুর দাম না পেয়ে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। অপর দিকে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে লুটপাট প্রক্রিয়া চালু রেখেছে। কৃষকদের ন্যায্য দাবী আদায়ে কমিটি করে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

সমাজতান্ত্রিক ক্ষেত মজুর ও কৃষক ফ্রন্টের সহ সভাপতি কমরেড ওয়াজেদ পারভেজ বলেন- কৃষি উপকরণের দাম বেশি হওয়ার কারণে শস্য উৎপাদন করতে গিয়ে কৃষকদের খরচ বেশি পড়ছে। বিশেষ করে যেকোন শস্য উৎপাদনের ভর মৌসুমে সারের প্রয়োজন হয়। এসময় চাহিদা থাকায় সংকট দেখা দেয়। ডিলার পর্যায়ে সার থাকে না। কিন্তু খুচরা পর্যায়ে কৃষকদের বেশি দামে সার কিনতে হয়। বেশি দামে সার কিনে আবাদ করতে গিয়ে উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। আবার সেই ফসল যখন বাজারে বিক্রি করতে যায় কৃষক দাম পাইনা।

সরকারি হিমাগার না থাকা এবং সরকারি ভাবে ক্রয়ের ব্যবস্থা না থাকায় মধ্যস্বত্তভোগীরা কৃষকদের কাছ থেকে কম দামে কিনে পরবর্তীতে তারা বেশি দামে বিক্রি করে।

তিনি বলেন- সরকার ধানের চেয়ে চাল বেশি ক্রয় করে। গত মৌসুমে সরকার যেদামে ধান ক্রয় করেছে, খোলা বাজারে কৃষক অন্তত ৪০০ টাকা কম দামে বিক্রি করেছে। সরকার চাল বেশি কেনার কারণে কৃষকরা ব্যবসায়িদের কাছে কম দামে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হয়।

এখন আলুর মৌসুম চলছে। কৃষকদের উৎপাদন খরচই উঠছে না। কৃষকদের সংরক্ষণের ব্যবস্থা নাই এবং বাজারজাতও ঠিক না। এতে মাঝারি কৃষক প্রান্তিকে পরিণত হয়। আর প্রান্তিক পর্যায়ে বছরে প্রায় ১১ লাখ কৃষক ভূমিহীনে পরিনত হয়। ফলে সরকারের পলিসির কারণে মধ্যস্বত্তভোগীরা লাভবান হচ্ছে। এ থেকে উত্তোরণ পেতে হলে কৃষকদের ভর্তুকির মাধ্যমে সার, বীজ ও কীটনাশক সরবারহ করতে হবে। এছাড়াও পর্যাপ্ত পরিমানে হিমাগার স্থাপন করতে হবে, যেখানে কৃষকরা স্বল্প খরচে শস্য মজুত করতে পারে।#

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews