অসহায় চেয়ারম্যান জনসমক্ষেই কান্নায় ভেঙে পড়ে কি বললেন..
ইমান আলী ,স্টাফ রিপোর্টার,ঢাকা
প্রকাশিত:
রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬
৩৫
বার পড়া হয়েছে
অসহায় চেয়ারম্যান জনসমক্ষেই কান্নায় ভেঙে পড়ে কি বললেন..
ইমান আলী ,স্টাফ রিপোর্টার,ঢাকা পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশজুড়ে এক নজিরবিহীন অরাজকতা ও লুটপাটের চিত্র সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, সাধারণ মানুষের বিপদে সহায়তার জন্য সংরক্ষিত প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের অর্থ এখন দরিদ্রদের বদলে ছাত্রদল নেতাদের ‘ঈদ সালামি’ হিসেবে বণ্টন করা হচ্ছে। জনগণের ট্যাক্সের টাকার এই ধরনের "অসাধারণ দলীয় ব্যবহার" নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছাত্রদলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের হাতে সরকারি খামের মাধ্যমে এই অর্থ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। প্রকৃত দুস্থ ও আর্তমানবতার সেবায় এই তহবিল ব্যবহারের নিয়ম থাকলেও, ঈদ উপলক্ষে দলীয় আনুগত্যের পুরস্কার হিসেবে এটি বিলি করা হচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ত্রাণ তহবিলের টাকা যখন রাজনৈতিক ক্যাডারদের পকেটে যায়, তখন বুঝতে হবে সুশাসনের সংজ্ঞাই বদলে গেছে। এটি কেবল রাজনৈতিক অনৈতিকতা নয়, বরং জনগণের আমানতের চরম খেয়ানত। এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে Bangladesh Awami League-এর ভেরিফাইড Facebook পেজ থেকে মন্তব্য করা হয়, “গরিব মানুষের হক মেরে ‘ঈদ সালামি’ দেওয়ার এই রাজনীতি দেশের মানুষের কাছে আর গোপন নেই। জনগণের ত্রাণ তহবিলকে দলীয় কর্মীদের পুরস্কারে পরিণত করা শুধু অনৈতিক নয়, এটি রাষ্ট্রের সম্পদের সরাসরি অপব্যবহার।” পোস্টটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয় এবং অনেক ব্যবহারকারীও এ ধরনের অভিযোগের তদন্ত দাবি করেন। ত্রাণ তহবিলের নগদ অর্থ আত্মসাতের পাশাপাশি মফস্বলে চলছে বিএনপির স্থানীয় নেতাদের চাল চুরির মহোৎসব। গাইবান্ধা: গোবিন্দগঞ্জের সাপমারা ইউনিয়নে ভিজিএফের চাল বিতরণকালে বিএনপি নেতা সারোয়ার হোসেন চৌধুরী জোরপূর্বক কয়েকশ স্লিপ কেড়ে নেন। বাধা দেওয়ায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু তালেব মন্ডলকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। অসহায় চেয়ারম্যান জনসমক্ষেই কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, "বিএনপি জোর করে সব কেড়ে নিয়েছে, আমি গরিবের হক রক্ষা করতে পারলাম না।" রাজধানীতে ছিনতাইকারীর কবলে প্রাণহানি, একদিকে যখন ত্রাণের টাকা ও চাল লুট হচ্ছে, অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতিতে রাজধানীতে ঝরছে রক্ত। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উত্তরার হাউজবিল্ডিং এলাকায় ছিনতাইকারীর হ্যাঁচকা টানে অটোরিকশা থেকে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন মুক্তা আক্তার (২১) নামে এক গৃহবধূ। ঈদের কেনাকাটা শেষে ফেরার পথে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহতের স্বামী লিমন হোসেন জানান, ব্যাগ ধরে টান দেওয়ায় মুক্তা সড়কে ছিটকে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। Dhaka Medical College Hospital-এ নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরিবহন খাতে ভাড়া সন্ত্রাস ঈদযাত্রায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। যাত্রী কল্যাণ সমিতির দাবি অনুযায়ী, পরিবহন মালিকদের নৈরাজ্যে গত ২০ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে এবারের ভাড়া সন্ত্রাস। যাত্রীদের পকেট থেকে প্রায় ১৪৮ কোটি টাকা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হয়েছে। প্রায় ৮৭ শতাংশ বাস-মিনিবাসে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের আশ্বাসের সাথে বাস্তবতার কোনো মিল না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ যাত্রীরা। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপির মাঠ পর্যায়ের নেতাদের এমন উগ্র আচরণ ও জনগণের অর্থের অপব্যবহার প্রমাণ করে যে, সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষার চেয়ে দলীয় স্বার্থই তাদের কাছে বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
62
ইমান আলী ,স্টাফ রিপোর্টার,ঢাকা
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশজুড়ে এক নজিরবিহীন অরাজকতা ও লুটপাটের চিত্র সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, সাধারণ মানুষের বিপদে সহায়তার জন্য সংরক্ষিত প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের অর্থ এখন দরিদ্রদের বদলে ছাত্রদল নেতাদের ‘ঈদ সালামি’ হিসেবে বণ্টন করা হচ্ছে। জনগণের ট্যাক্সের টাকার এই ধরনের “অসাধারণ দলীয় ব্যবহার” নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছাত্রদলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের হাতে সরকারি খামের মাধ্যমে এই অর্থ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। প্রকৃত দুস্থ ও আর্তমানবতার সেবায় এই তহবিল ব্যবহারের নিয়ম থাকলেও, ঈদ উপলক্ষে দলীয় আনুগত্যের পুরস্কার হিসেবে এটি বিলি করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ত্রাণ তহবিলের টাকা যখন রাজনৈতিক ক্যাডারদের পকেটে যায়, তখন বুঝতে হবে সুশাসনের সংজ্ঞাই বদলে গেছে। এটি কেবল রাজনৈতিক অনৈতিকতা নয়, বরং জনগণের আমানতের চরম খেয়ানত।
এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে Bangladesh Awami League-এর ভেরিফাইড Facebook পেজ থেকে মন্তব্য করা হয়,
“গরিব মানুষের হক মেরে ‘ঈদ সালামি’ দেওয়ার এই রাজনীতি দেশের মানুষের কাছে আর গোপন নেই। জনগণের ত্রাণ তহবিলকে দলীয় কর্মীদের পুরস্কারে পরিণত করা শুধু অনৈতিক নয়, এটি রাষ্ট্রের সম্পদের সরাসরি অপব্যবহার।”
পোস্টটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয় এবং অনেক ব্যবহারকারীও এ ধরনের অভিযোগের তদন্ত দাবি করেন।
ত্রাণ তহবিলের নগদ অর্থ আত্মসাতের পাশাপাশি মফস্বলে চলছে বিএনপির স্থানীয় নেতাদের চাল চুরির মহোৎসব।
গাইবান্ধা: গোবিন্দগঞ্জের সাপমারা ইউনিয়নে ভিজিএফের চাল বিতরণকালে বিএনপি নেতা সারোয়ার হোসেন চৌধুরী জোরপূর্বক কয়েকশ স্লিপ কেড়ে নেন। বাধা দেওয়ায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু তালেব মন্ডলকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। অসহায় চেয়ারম্যান জনসমক্ষেই কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, “বিএনপি জোর করে সব কেড়ে নিয়েছে, আমি গরিবের হক রক্ষা করতে পারলাম না।”
রাজধানীতে ছিনতাইকারীর কবলে প্রাণহানি,
একদিকে যখন ত্রাণের টাকা ও চাল লুট হচ্ছে, অন্যদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতিতে রাজধানীতে ঝরছে রক্ত। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উত্তরার হাউজবিল্ডিং এলাকায় ছিনতাইকারীর হ্যাঁচকা টানে অটোরিকশা থেকে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন মুক্তা আক্তার (২১) নামে এক গৃহবধূ। ঈদের কেনাকাটা শেষে ফেরার পথে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহতের স্বামী লিমন হোসেন জানান, ব্যাগ ধরে টান দেওয়ায় মুক্তা সড়কে ছিটকে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। Dhaka Medical College Hospital-এ নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরিবহন খাতে ভাড়া সন্ত্রাস
ঈদযাত্রায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। যাত্রী কল্যাণ সমিতির দাবি অনুযায়ী, পরিবহন মালিকদের নৈরাজ্যে গত ২০ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে এবারের ভাড়া সন্ত্রাস।
যাত্রীদের পকেট থেকে প্রায় ১৪৮ কোটি টাকা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হয়েছে।
প্রায় ৮৭ শতাংশ বাস-মিনিবাসে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের আশ্বাসের সাথে বাস্তবতার কোনো মিল না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ যাত্রীরা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপির মাঠ পর্যায়ের নেতাদের এমন উগ্র আচরণ ও জনগণের অর্থের অপব্যবহার প্রমাণ করে যে, সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষার চেয়ে দলীয় স্বার্থই তাদের কাছে বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে।