নওগাঁয় জমি নিয়ে বিরোধের জে/রে ভ্যানচালককে কু/পি/য়ে হ/ত্যা, আ/ট/ক ৫
নওগাঁ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত:
বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬
৭৫
বার পড়া হয়েছে
নওগাঁয় জমি নিয়ে বিরোধের জে/রে ভ্যানচালককে কু/পি/য়ে হ/ত্যা, আ/ট/ক ৫
নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর সাপাহারে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪৭) নামে এক ভ্যানচালককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পাঁচ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার ভোরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহত শহিদুল ইসলাম উপজেলার গোয়ালা গ্রামের মৃত আমির আলীর ছেলে। আটকরা হলেন, উপজেলার গোয়ালা গ্রামের মতিবুর ইসলাম(৫৫), তার ছেলে আল মামুন(২০), মৃত নজর আলী মন্ডলের ছেলে রফিকুল ইসলাম মণ্ডল(৭০), শফিকুল ইসলাম ও মজিবর রহমানের ছেলে আবদুর রায়হান (২০)। স্থানীয় ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জমিজমা নিয়ে শহিদুলের পরিবারের সাথে প্রতিপক্ষ মতিবুর ইসলাম গংদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে শহিদুল তার ব্যাটারি চালিত অটোচার্জার ভ্যান নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় গোয়ালা লক্ষিতলা এলাকায় পৌঁছলে হামলাকারীরা রাস্তায় বাঁশ ফেলে তার গতিরোধ করে ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। তার ভ্যানে থাকা যাত্রী ও স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা চলে যায়। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ভোরে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদি হয়ে সাপাহার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। সাপাহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনারুল ইসলাম বলেন, বিষয়ে জানার পর রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে বুধবার থানায় একটি হত্যা মামলা করে। মামলার পর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহার নামীয় পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আসামীদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।#
114
নওগাঁ প্রতিনিধি:
নওগাঁর সাপাহারে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪৭) নামে এক ভ্যানচালককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পাঁচ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার ভোরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহত শহিদুল ইসলাম উপজেলার গোয়ালা গ্রামের মৃত আমির আলীর ছেলে।
আটকরা হলেন, উপজেলার গোয়ালা গ্রামের মতিবুর ইসলাম(৫৫), তার ছেলে আল মামুন(২০), মৃত নজর আলী মন্ডলের ছেলে রফিকুল ইসলাম মণ্ডল(৭০), শফিকুল ইসলাম ও মজিবর রহমানের ছেলে আবদুর রায়হান (২০)।
স্থানীয় ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জমিজমা নিয়ে শহিদুলের পরিবারের সাথে প্রতিপক্ষ মতিবুর ইসলাম গংদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে শহিদুল তার ব্যাটারি চালিত অটোচার্জার ভ্যান নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় গোয়ালা লক্ষিতলা এলাকায় পৌঁছলে হামলাকারীরা রাস্তায় বাঁশ ফেলে তার গতিরোধ করে ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। তার ভ্যানে থাকা যাত্রী ও স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা চলে যায়। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ভোরে তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের মা বাদি হয়ে সাপাহার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
সাপাহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনারুল ইসলাম বলেন, বিষয়ে জানার পর রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের মা বাদী হয়ে বুধবার থানায় একটি হত্যা মামলা করে। মামলার পর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজাহার নামীয় পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আসামীদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।#