শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নওগাঁয় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর কারাগারে কলম্বিয়া ওয়াশিং প্লান্ট লি: এর প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত নওগাঁয় নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু নওগাঁয় অভ্যন্তরীন বোরো ধান সংগ্রহের নামে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রাণীনগরে খাস জায়গার গাছ কাটার বিষয়ে নিরব প্রশাসন মোটরসাইকেলের সাইলেন্সের বিকট শব্দ, কিশোরের ২০ হাজার টাকা জরিমানা নওগাঁর আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার নানা সমস্যায় জর্জরিত আ.লীগ সঙ্গীদের নিয়ে কার্যালয় দখলের অভিযোগ, ছুরিকাঘাতে বিএনপি নেতা আহত মজুত থাকলেও রোগীকে স্যালাইন না দেওযায় টাকা ফেরত দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী নওগাঁয় স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিযোগীদের পুরস্কার ও বস্ত্র বিতরণ

দ্বিতীয় বিয়ে করতে লাগবে না স্ত্রীর অনুমতি: হাইকোর্ট

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৩৮ বার পড়া হয়েছে
394

 

মুসলিম আইনানুযায়ী পুরুষের জন্য ‍দ্বিতীয় বিয়ে জায়েজ থাকলেও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তা ছিলো, গুরুত্বর অপরাধ ও নৈতিকতার লঙ্ঘন। কিন্তু সম্প্রতি হাইকোর্টের এক রায়ে পাল্টে যেতে যাচ্ছে বহুদিন ধরে চলে আসা এই রীতি।

 

এবার স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে,ঠিক এমনই এক রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। মুসলিম পারিবারিক আইন সংশ্লিষ্ট একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত বলেন, দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে স্ত্রীর অনুমতি নয়, বরং আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতির ভিত্তিতেই বিষয়টি নিষ্পন্ন হবে।

 

এতদিন প্রচলিত ছিলো, স্ত্রী বা প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে না। তবে আদালত বলেন, এ বিষয়ে মুসলিম পারিবারিক আইনে সরাসরি এমন বাধ্যবাধকতার কোনো অস্তিত্ব নেই।

 

২৪ পাতার পূর্ণাঙ্গ রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতির বিষয়টি আরবিট্রেশন কাউন্সিলে ন্যস্ত থাকায় স্ত্রী অনুমতি বাধ্যতামূলক নয়।

১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারায় স্ত্রী বা স্বামী অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান ছিল।

 

পরবর্তীতে ১৯৬১ সালে মুসলিম পারিবারিক আইন চালুর মাধ্যমে নারীর ক্ষেত্রে ওই সাজা বহাল থাকলেও পুরুষের দ্বিতীয় বিয়ে ঠেলে দেওয়া হয় আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতির ওপর। সেক্ষেত্রে অনুমতি ছাড়া বিয়ে করলে এক বছর কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়।

 

তবে এ রায়ের বিরুদ্ধে রিটকারীরা আপিলের ঘোষণা দিয়েছে। তারা বলছেন, আদালতের সিদ্ধান্তে বহু বিবাহের ক্ষেত্রে নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হতে পারে। তাদের দাবি, নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে সমান অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই রিট করা হয়েছিল।

 

সমাজ বিজ্ঞানীদের মতে, আর্থিক সক্ষমতা ও মনস্তাত্ত্বিক প্রলোভন থেকে বহু পুরুষ একাধিক বিয়ের সুযোগ অপব্যবহার করার ঝুঁকি থাকে। ফলে সমাজে অসাম্য ও পারিবারিক অস্থিরতা বাড়তে পারে। তাই বিষয়টি সর্বোচ্চ আদালতে নিষ্পত্তির প্রয়োজনীয়তার কথা জানান তারা।

এদিকে বিষয়টি এখন আপিল বিভাগে গেলে তা নজরকাড়া আলোচনার জন্ম দেবে বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Customized By BreakingNews