মোঃ সাইফুল ইসলাম, রূপগঞ্জ( নারায়ণগঞ্জ) উপজেলা প্রতিনিধি।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাব পৌরসভার জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত ও পানিবন্দী মানুষের খোঁজ খবর নিতে মাঠে নেমেছেন খন্দকার মো. আল-আমিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী এবং সেক্রেটারি, যুব ও ক্রিড়া বিভাগ, বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামী, নারায়ণগঞ্জ জেলা । বুধবার (২২ জুলাই) তিনি জলাবদ্ধ এলাকায় গণসংযোগ, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর গ্রহণ এবং ত্রাণসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
সকালে তারাব পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলপুর ও কামালনগর এলাকায় গিয়ে তিনি পানিবন্দী মানুষের বাড়ি বাড়ি খোঁজ নেন। হাঁটুসমান পানিতে নেমে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের দুর্ভোগের চিত্র সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন এবং দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা, নাগরিক ভোগান্তি ও অবকাঠামোগত সমস্যার বিষয়ে অবগত হন।
এ সময় খন্দকার মো. আল-আমিন বলেন, "জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে তারাব পৌরসভাকে আধুনিক, সুশাসনভিত্তিক ও জনবান্ধব পৌরসভায় রূপান্তর করা হবে। মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি নাগরিক সেবাকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করা হবে। কর ও গ্যাস-সংক্রান্ত সেবার জটিলতা দূর এবং দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে পরিকল্পিত ও টেকসই উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।"
পরে তিনি তারাব পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বরপা শান্তিনগর এলাকায় আয়োজিত ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হাজী মুকছুদুল আলম মীরের উদ্যোগে আয়োজিত এ মানবিক কর্মসূচিতে জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০০টি পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
ত্রাণসামগ্রীর মধ্যে প্রতিটি পরিবারকে ৭ কেজি চাল, ২ কেজি আলু এবং ১ কেজি ডাল প্রদান করা হয়। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, হাজী মুকছুদুল আলম মীর দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সূরা ও কর্মপরিষদের সদস্য এবং বরপা শান্তিনগর ৬ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি মো. ইউনুস আকন্দ,কর্মপরিষদের সদস্য মোহাম্মদ সায়েম, মো. শাহাদাত হোসেন, মো. নুর হোসেন, মোহাম্মদ লোকমান হোসেন, মো. রনি শেখ, মো. জুনায়েদ হোসেনসহ স্থানীয় জামায়াতের নেতাকর্মীরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রতিটি সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। তারা সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং মানবিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।