ঝালকাঠি প্রতিনিধি এইচ এম শুভর পাঠানো
বাণীতেঃ- এম খায়রুল ইসলাম সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাঠালিয়া উপজেলা যুবদল>>>>
কেউ পাচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড, কেউ কৃষক কার্ড। কারো লোন মওকুফ হচ্ছে, কেউ সম্মানী ভাতা পাচ্ছে। কেউ মন্ত্রী, কেউ এমপি, আবার কেউ হয়ে উঠছে দাপুটে পিএস-এপিএস। চারদিকে যেন প্রাপ্তির তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে।
কিন্তু একটি প্রশ্ন আজও উত্তরহীন থেকে যাচ্ছে—
যারা বছরের পর বছর রাজপথে নিজের পকেটের টাকায় সংগ্রাম করেছে, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদলসহ বিএনপির হাজারো তৃণমূল কর্মী—তাদের ভবিষ্যৎ কোথায়?
যখন আন্দোলনের ডাক এসেছে, তখন তো তারাই সবার আগে মাঠে নেমেছে। পুলিশের লাঠি, মামলা, হামলা, জেল—সবকিছু সহ্য করে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজপথে রক্তাক্ত হয়েছে, তবুও পিছু হটেনি। সেই ত্যাগী মুখগুলো আজ কোথায়? কেন তাদের আর দেখা যায় না?
যাদের ঘাম আর রক্তে বিনিময়ে এই পথ তৈরি হয়েছে, দিনশেষে তাদের প্রাপ্তির খাতাটা কি শুধুই শূন্য ই থাকবে?
এই প্রশ্নটা শুধু একজন কর্মীর নয়, হাজার হাজার ত্যাগী নেতাকর্মীর মনের কথা।
রাজনীতির ইতিহাস বলে—ত্যাগের মূল্যায়ন না হলে তার ফল কখনো ভালো হয় না। যারা কঠিন সময় পার করেছে, তাদের ভুলে গেলে ইতিহাস অনেক সময় নির্মমভাবে তার পুনরাবৃত্তি ঘটায়।
আজ চারদিকে নতুন মুখ দেখা যাচ্ছে, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু যারা দীর্ঘদিন আন্দোলন সংগ্রামের আগুনে পুড়ে রাজনীতিকে বাঁচিয়ে রেখেছে, সেই ত্যাগী নেতাদের যদি আর কোথাও দেখা না যায়—তাহলে সেটি রাজনীতির জন্য ভালো সংকেত নয়।
সময় এসেছে তৃণমূলের সেই ত্যাগী কর্মীদের কথা ভাবার। কারণ দল টিকে থাকে পোস্টার বা পদবিতে নয়, টিকে থাকে সেইসব মানুষদের উপর, যারা প্রতিকূল সময়েও বিএনপির পতাকা হাতে রাজপথ ছাড়ে নাই।