জানা গেছে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আগে কারখানাটির ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন স্থানীয় বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ নেতা কবির হোসেন সরকার। পরে সেই নিয়ন্ত্রণ চলে যায় ছাত্রদল নেতা রনির হাতে। জাতীয় নির্বাচনের পর এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করে।
মোস্তাফিজুর রহমান রনি অভিযোগ করেন, বৈধ চুক্তি থাকা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে তাকে ঝুট উত্তোলনে বাধা দিচ্ছিল। বৃহস্পতিবার আলোচনার জন্য কারখানায় গেলে তার ওপর হামলা চালানো হয়, মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয় এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। পরে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে বলে দাবি করেন তিনি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন রনি।
অভিযোগের বিষয়ে বকুল ভুঁইয়ার বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুবেল হাওলাদার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি; তবে বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।