মেহেদী হাসান চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
সরকারি ঔষধ পাওয়া যাচ্ছে বেসরকারি হাসপাতালে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতাল, শিবগঞ্জ সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, গোমস্তাপুর সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং নাচোল সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত নার্স এবং কর্মচারীদের হাত হয়ে সরকারি ঔষধ বাইরে চলে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ওষুধের গায়ে 'সরকারি সম্পদ বিক্রি করা দণ্ডনীয় অপরাধ' লেখা থাকলেও থেমে নেই সরকারি ওষুধ বিক্রি। এতে দেশের বেশিরভাগ দরিদ্র জনগণ যেমন সরকারি ওষুধ পাচ্ছে না, তেমনি স্বাস্থ্যসেবার মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আর এ বিষয়ে অভিযোগ ও উপযুক্ত প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে-এমন দায়সারা মন্তব্য করছেন জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্তা ব্যক্তিরা।হাসপাতাল থেকে সরকারি ওষুধ দেওয়ার কথা থাকলেও রোগীদের বেশিরভাগ ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হয়। জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোর এটা নিত্য চিত্র।
প্রশ্ন উঠেছে, সরকারি হাসপাতালে রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত ওষুধ যায় কোথায়? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বেড়িরে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সরকারি হাসপাতালে কর্মরত কতিপয় অসাধু নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী সরকারি দামি ঔষধ গোপনে বিভিন্ন ক্লিনিকে বিক্রি করছে।
সম্প্রতি জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার ইসলামী হাসপাতাল নামে একটি বেসরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বিভিন্ন ধরনের সরকারি ঔষধ পাওয়া যায়। এসব ঔষধের গায়ে লেখা ছিলো 'সরকারি সম্পদ, বিক্রি করা দণ্ডনীয় অপরাধ'। সরকারি ঔষধ চুরি হয়ে যাওয়ার কারণে হাসপাতালগুলোতে তৈরি হয়েছে ঔষধের কৃত্রিম সংকট এ ব্যাপারে ক্লিনিক মালিকের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি বলেন আমি মোটরবাইকের উপরে আছি পরে কথা বলছি । তবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম শাহাব উদ্দীন জানান, ঔষধ চুরির বিষয়ে কোন অভিযোগ কিংবা উপযুক্ত প্রমাণ পেলে তদন্ত কমিটি গঠন করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে